০৪ মার্চ ২০২৬, বুধবার, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উত্তরপ্রদেশে নারকীয় ঘটনা: ওষুধ আনতে গিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে খুন মহিলা

 

উত্তরপ্রদেশের ফারুখাবাদে নৃশংসভাবে খুন হলেন এক গৃহবধূ। অভিযোগ, স্থানীয় এক যুবকের উত্যক্ততা সহ্য না করায় তাঁকে মারধর করে গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। পরে হাসপাতালে মৃত্যু হয় ওই মহিলার।
মৃতার নাম নিশা সিং (৩৩)। গত ৬ সেপ্টেম্বর জাহানগঞ্জের দরিয়াগঞ্জ গ্রামে বাড়ি থেকে ওষুধ আনতে বেরিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় অভিযুক্ত দীপক ও তার সহযোগীরা নিশাকে রাস্তায় আটকে বেধড়ক মারধর করে, এরপর তাঁর শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ।
পুলিশ জানিয়েছে, আগুনে পুড়ে যাওয়া অবস্থায় নিশা প্রথমে পারিবারিক চিকিৎসকের কাছে যান। পরে তাঁকে লোহিয়া হাসপাতাল হয়ে মেডিক্যাল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।
নিশার বাবা বলরাম সিং অভিযোগ করেছেন, বিয়ের আগেও দীর্ঘদিন ধরে দীপক তাঁর মেয়েকে হয়রানি করত। ২০১৩ সালে মহম্মদাবাদের অমিত সিং চৌহানের সঙ্গে নিশার বিয়ে হয়। স্বামী দিল্লিতে কাজ করেন, নিশা দুই সন্তান নিয়ে ফতেগড়ের নেকপুর চৌরাসিতে থাকতেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ওষুধ আনতে বেরোতেই দীপক ও তার সঙ্গীরা হামলা চালায়।
পুলিশ জানিয়েছে, দীপক এবং তার সঙ্গীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

ইরানে ট্রাম্পের সামরিক ক্ষমতা সীমিত করতে কংগ্রেসে প্রস্তাব, ভোট চলতি সপ্তাহে

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

উত্তরপ্রদেশে নারকীয় ঘটনা: ওষুধ আনতে গিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে খুন মহিলা

আপডেট : ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, মঙ্গলবার

 

উত্তরপ্রদেশের ফারুখাবাদে নৃশংসভাবে খুন হলেন এক গৃহবধূ। অভিযোগ, স্থানীয় এক যুবকের উত্যক্ততা সহ্য না করায় তাঁকে মারধর করে গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। পরে হাসপাতালে মৃত্যু হয় ওই মহিলার।
মৃতার নাম নিশা সিং (৩৩)। গত ৬ সেপ্টেম্বর জাহানগঞ্জের দরিয়াগঞ্জ গ্রামে বাড়ি থেকে ওষুধ আনতে বেরিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় অভিযুক্ত দীপক ও তার সহযোগীরা নিশাকে রাস্তায় আটকে বেধড়ক মারধর করে, এরপর তাঁর শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ।
পুলিশ জানিয়েছে, আগুনে পুড়ে যাওয়া অবস্থায় নিশা প্রথমে পারিবারিক চিকিৎসকের কাছে যান। পরে তাঁকে লোহিয়া হাসপাতাল হয়ে মেডিক্যাল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।
নিশার বাবা বলরাম সিং অভিযোগ করেছেন, বিয়ের আগেও দীর্ঘদিন ধরে দীপক তাঁর মেয়েকে হয়রানি করত। ২০১৩ সালে মহম্মদাবাদের অমিত সিং চৌহানের সঙ্গে নিশার বিয়ে হয়। স্বামী দিল্লিতে কাজ করেন, নিশা দুই সন্তান নিয়ে ফতেগড়ের নেকপুর চৌরাসিতে থাকতেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ওষুধ আনতে বেরোতেই দীপক ও তার সঙ্গীরা হামলা চালায়।
পুলিশ জানিয়েছে, দীপক এবং তার সঙ্গীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।