গাজা পুনর্গঠন ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’-এ স্থায়ী সদস্যপদ পেতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোকে অন্তত ১০০ কোটি ডলার অনুদান দিতে হবে—এমন শর্ত সামনে আসতেই আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের হাতে আসা একটি খসড়া সনদে এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।
খসড়া অনুযায়ী, বোর্ডটির প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই দায়িত্ব পালন করবেন এবং তহবিল, সদস্যপদ, ভোটাভুটি এমনকি সদস্য অপসারণের সর্বময় ক্ষমতা থাকবে তাঁর হাতে। প্রথম বছরের মধ্যে নগদ ১০০ কোটি ডলার দিলে কোনো দেশ স্থায়ী সদস্যপদ পাবে, অন্যথায় সদস্যপদের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ তিন বছর।
এই পরিকল্পনাকে ঘিরে সমালোচনা তীব্র হয়েছে। অনেকের মতে, ট্রাম্প জাতিসংঘের বিকল্প একটি সমান্তরাল আন্তর্জাতিক সংস্থা গড়তে চাইছেন, যেখানে আর্থিক ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ এককভাবে তাঁর হাতে থাকবে। প্রস্তাবটি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে সমালোচনা করেছেন। ইউরোপের একাধিক দেশও এই উদ্যোগকে অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করছে।
এরই মধ্যে হোয়াইট হাউস একটি অন্তর্বর্তী নির্বাহী প্যানেল ঘোষণা করেছে, যেখানে রয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, মধ্যপ্রাচ্য দূত স্টিভ উইটকফ, জ্যারেড কুশনার ও টনি ব্লেয়ার। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এই বোর্ড বাস্তবায়িত হলে তা বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ তৈরি করতে পারে।




























