০১ মার্চ ২০২৬, রবিবার, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর দাবি, খোমেনি মারা গেছেন, তবে ইরানের দুই সংবাদমাধ্যমের খবর, খামেনি বেঁচে আছেন এবং দৃঢ়তার সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন

 

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে ঘিরে চরম বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একদিকে তাঁকে নিহত বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, অন্যদিকে ইরানের একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে—খামেনি জীবিত আছেন এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
নিজস্ব সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় খামেনি নিহত হয়েছেন। তিনি লেখেন, ইরানের জনগণের জন্য এটি দেশ পুনর্গঠনের সুযোগ। একই ধরনের দাবি উঠে এসেছে ইসরায়েলি সূত্র থেকেও। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-কে খামেনির মরদেহের ছবি দেখানো হয়েছে বলেও একটি ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে প্রচার করা হয়। খবরটি প্রকাশ করে রয়টার্স ও ইসরায়েলি চ্যানেল ১২।
তবে ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ ও মেহের নিউজ সম্পূর্ণ ভিন্ন তথ্য দিয়েছে। তাদের দাবি, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি জীবিত আছেন এবং দৃঢ়তার সঙ্গে দেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তারা মৃত্যুর খবরকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
এদিকে আল জাজিরা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর এবং ইরানি সূত্রের তথ্যের মধ্যে স্পষ্ট বিরোধ রয়েছে। ফলে খামেনির প্রকৃত অবস্থা নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত হয়েছে।
উল্লেখ্য, শনিবার সকালে খামেনির বাসভবন লক্ষ্য করে বড় ধরনের হামলার খবর পাওয়া যায়। পরে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস স্যাটেলাইট চিত্র প্রকাশ করে, যেখানে সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ইঙ্গিত মেলে। তবে খামেনির মৃত্যু বা জীবিত থাকার বিষয়ে এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগ :

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে আবারো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর দাবি, খোমেনি মারা গেছেন, তবে ইরানের দুই সংবাদমাধ্যমের খবর, খামেনি বেঁচে আছেন এবং দৃঢ়তার সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন

আপডেট : ১ মার্চ ২০২৬, রবিবার

 

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে ঘিরে চরম বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একদিকে তাঁকে নিহত বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, অন্যদিকে ইরানের একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে—খামেনি জীবিত আছেন এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
নিজস্ব সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় খামেনি নিহত হয়েছেন। তিনি লেখেন, ইরানের জনগণের জন্য এটি দেশ পুনর্গঠনের সুযোগ। একই ধরনের দাবি উঠে এসেছে ইসরায়েলি সূত্র থেকেও। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-কে খামেনির মরদেহের ছবি দেখানো হয়েছে বলেও একটি ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে প্রচার করা হয়। খবরটি প্রকাশ করে রয়টার্স ও ইসরায়েলি চ্যানেল ১২।
তবে ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ ও মেহের নিউজ সম্পূর্ণ ভিন্ন তথ্য দিয়েছে। তাদের দাবি, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি জীবিত আছেন এবং দৃঢ়তার সঙ্গে দেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তারা মৃত্যুর খবরকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
এদিকে আল জাজিরা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর এবং ইরানি সূত্রের তথ্যের মধ্যে স্পষ্ট বিরোধ রয়েছে। ফলে খামেনির প্রকৃত অবস্থা নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত হয়েছে।
উল্লেখ্য, শনিবার সকালে খামেনির বাসভবন লক্ষ্য করে বড় ধরনের হামলার খবর পাওয়া যায়। পরে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস স্যাটেলাইট চিত্র প্রকাশ করে, যেখানে সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ইঙ্গিত মেলে। তবে খামেনির মৃত্যু বা জীবিত থাকার বিষয়ে এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।