পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির চরম অবনতি এবং পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ ‘হরমুজ প্রণালী’ ইরানের পক্ষ থেকে বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত সরকার দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে জানিয়েছে, অপরিশোধিত তেল ও গ্যাসের মজুত নিয়ে ভারত বর্তমানে একটি ‘স্বস্তিদায়ক’ অবস্থানে রয়েছে।
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস-এর প্রধান কমান্ডারের উপদেষ্টা ইব্রাহিম জাব্বারি আনুষ্ঠানিকভাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যে কেউ এই পথ দিয়ে পার হওয়ার চেষ্টা করবে, আমাদের নৌসেনা ও সেনাবাহিনী তাদের ধ্বংস করে দেবে। আমরা এই অঞ্চল থেকে এক ফোঁটা তেলও রপ্তানি হতে দেব না।”
গত রবিবার ইসরায়েল ও আমেরিকার বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর থেকেই এই অচলাবস্থা শুরু হয়। পরিসংখ্যান বলছে, স্বাভাবিক সময়ে দৈনিক ১০০টিরও বেশি জাহাজ এই পথে চলাচল করলেও গত রবিবার মাত্র ৩টি এবং সোমবার মাত্র ১টি ট্যাঙ্কার পার হতে পেরেছে। বর্তমানে প্রণালীর দুই পাশে ৭০০-এরও বেশি তেলের ট্যাঙ্কার আটকে রয়েছে।
কেন্দ্রীয় তেল মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি গত মাসে রাজ্যসভায় জানিয়েছিলেন, কোনো বৈশ্বিক অস্থিরতা মোকাবিলা করার জন্য ভারতের কৌশলগত ভাণ্ডারে ৭৪ দিনের চাহিদা মেটানোর মতো তেল মজুত রাখার সক্ষমতা রয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশ ও কর্ণাটকের ভূগর্ভস্থ গুহায় এই তেলের বিশাল ভাণ্ডার রয়েছে এবং ওড়িশাতেও দ্রুত এই ব্যবস্থা চালু হতে যাচ্ছে। ভারতের তেল শোধনাগারগুলোতেও বিপুল পরিমাণ জরুরি মজুত রাখা হয়েছে।





























