১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গ্রামন্নোয়ন খাতে রাজ্যকে ১,৬৪৭ কোটি কেন্দ্রের এখনও বকেয়া আবাস, ১০০দিনের কাজের টাকা

পুবের কলম প্রতিবেদক:  পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে আরও একদফা বকেয়া টাকা পাঠাল কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রের পক্ষ থেকে বকেয়ার ৯৯৬ কোটি টাকা পাঠানো হয়েছে। এর আগে এসেছিল ৬৫১ কোটি টাকা। অর্থাৎ, দিল্লি থেকে রাজ্যের হাতে এল মোট ১,৬৪৭ কোটি টাকা।

মূলত গ্রামন্নোয়ন খাতে এই টাকা দেওয়া হয়েছে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে এই ১,৬৪৭ কোটি পেল নবান্ন। মঙ্গলবার পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের ৬৫১ কোটি টাকা এসেছিল রাজ্যের তহবিলে। বৃহস্পতিবার এল আরও ৯৯৬ কোটি। বকেয়া অর্থ পাঠানোর পাশাপাশি কেন্দ্রের পক্ষ থেকে রাজ্য সরকারকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এক বছরের মধ্যে এই টাকার ৬০ শতাংশ খরচ করতে পারলে ফের আর্থিক বরাদ্দ পাবে বাংলা। সেক্ষেত্রে একবছর পর তৃতীয় কিস্তির টাকাও পাঠানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন চলাকালীন রাজ্যের তৃণমূল সরকার কেন্দ্রের থেকে বরাদ্দ পেল। কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক থেকে এই টাকা দেওয়া হয়েছে রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতরকে। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, পানীয় জল এবং নিকাশির কাজে এই টাকা ব্যবহার করা হবে বলে রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতর সূত্রে খবর। তবে, ১০০ দিনের কাজ, আবাস যোজনা সহ একাধিক প্রকল্পের প্রাপ্য টাকা এখনও বকেয়া রেখে দিয়েছে কেন্দ্র। এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার নয়াদিল্লিতে চিঠি লিখে দরবার করেছেন। কিন্তু তাও প্রাপ্য মেটানো হয়নি। তবে, গ্রামন্নোয়নের এই টাকা রাজ্যকে দেওয়ার বিষয়টি কয়েকদিন আগেই নয়াদিল্লি থেকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছিল নবান্নকে। সেখানে বলা হয়েছিল, ১০দিনের মধ্যে এই ১,৬৪৭ কোটি টাকা পাঠানো হবে রাজ্যকে।

 

উল্লেখ্য, ১০০ দিনের কাজ-সহ একাধিক প্রকল্পে কেন্দ্র বাংলার পাওনা আটকে রেখেছে বলে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ জানিয়ে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই নিয়ে আগামী ২ অক্টোবর দিল্লিতে গিয়ে ধর্না দেওয়ার কর্মসূচিও নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে সেই কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দিন কয়েক আগে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, ওটা ছাত্র-যুবদের কর্মসূচি হলেও তিনি যাবেন দিল্লিতে। মুখ্যমন্ত্রী এ-ও বলছেন, কেন্দ্রীয় ‘বঞ্চনা’র জন্য অনেক কাজ রাজ্যকে নিজেদের টাকায় করতে হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা মমতার, তারেক রহমানকে পাঠালেন ফুল-মিষ্টি

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গ্রামন্নোয়ন খাতে রাজ্যকে ১,৬৪৭ কোটি কেন্দ্রের এখনও বকেয়া আবাস, ১০০দিনের কাজের টাকা

আপডেট : ২৫ অগাস্ট ২০২৩, শুক্রবার

পুবের কলম প্রতিবেদক:  পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে আরও একদফা বকেয়া টাকা পাঠাল কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রের পক্ষ থেকে বকেয়ার ৯৯৬ কোটি টাকা পাঠানো হয়েছে। এর আগে এসেছিল ৬৫১ কোটি টাকা। অর্থাৎ, দিল্লি থেকে রাজ্যের হাতে এল মোট ১,৬৪৭ কোটি টাকা।

মূলত গ্রামন্নোয়ন খাতে এই টাকা দেওয়া হয়েছে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে এই ১,৬৪৭ কোটি পেল নবান্ন। মঙ্গলবার পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের ৬৫১ কোটি টাকা এসেছিল রাজ্যের তহবিলে। বৃহস্পতিবার এল আরও ৯৯৬ কোটি। বকেয়া অর্থ পাঠানোর পাশাপাশি কেন্দ্রের পক্ষ থেকে রাজ্য সরকারকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এক বছরের মধ্যে এই টাকার ৬০ শতাংশ খরচ করতে পারলে ফের আর্থিক বরাদ্দ পাবে বাংলা। সেক্ষেত্রে একবছর পর তৃতীয় কিস্তির টাকাও পাঠানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন চলাকালীন রাজ্যের তৃণমূল সরকার কেন্দ্রের থেকে বরাদ্দ পেল। কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক থেকে এই টাকা দেওয়া হয়েছে রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতরকে। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, পানীয় জল এবং নিকাশির কাজে এই টাকা ব্যবহার করা হবে বলে রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতর সূত্রে খবর। তবে, ১০০ দিনের কাজ, আবাস যোজনা সহ একাধিক প্রকল্পের প্রাপ্য টাকা এখনও বকেয়া রেখে দিয়েছে কেন্দ্র। এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার নয়াদিল্লিতে চিঠি লিখে দরবার করেছেন। কিন্তু তাও প্রাপ্য মেটানো হয়নি। তবে, গ্রামন্নোয়নের এই টাকা রাজ্যকে দেওয়ার বিষয়টি কয়েকদিন আগেই নয়াদিল্লি থেকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছিল নবান্নকে। সেখানে বলা হয়েছিল, ১০দিনের মধ্যে এই ১,৬৪৭ কোটি টাকা পাঠানো হবে রাজ্যকে।

 

উল্লেখ্য, ১০০ দিনের কাজ-সহ একাধিক প্রকল্পে কেন্দ্র বাংলার পাওনা আটকে রেখেছে বলে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ জানিয়ে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই নিয়ে আগামী ২ অক্টোবর দিল্লিতে গিয়ে ধর্না দেওয়ার কর্মসূচিও নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে সেই কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দিন কয়েক আগে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, ওটা ছাত্র-যুবদের কর্মসূচি হলেও তিনি যাবেন দিল্লিতে। মুখ্যমন্ত্রী এ-ও বলছেন, কেন্দ্রীয় ‘বঞ্চনা’র জন্য অনেক কাজ রাজ্যকে নিজেদের টাকায় করতে হচ্ছে।