শনিবার, ১৮ মে, ২০১৯

পাবজি পার্টনারের সাথে থাকতে চেয়ে ডিভোর্স চাইল মহিলা!

স্বামীর অত্যাচার থেকে বাঁচতে বিবাহ বিচ্ছেদ! তা তো হামেশাই ঘটছে। কিন্তু  ‘পাবজি’-র মতো সামান্য অনলাইন গেমের জন্যেও আজকাল সংসারে চিড় ধরছে? হ্যাঁ এমনই ঘটনা ঘটেছে গুজরাতের আহমেদাবাদে। জানা গিয়েছে– বছর উনিশের ওই মহিলা ‘পাবজি’ খেলায় মেতে থাকেন। পরিবার বা স্বামীকে আর সময় দেন না তেমন। তিনি মহিলাদের সহায়তার জন্য গুজরাত সরকারের হেল্পলাইন ‘অভয়ম’ এর ১৮১ নম্বরে কল করে বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য সাহায্য চেয়ে বসেছেন। শুধু তাই নয় তিনি এটাও জানিয়েছেন যে তার পাবজি পার্টনারের সাথে তিনি থাকতে চান। উল্লেখ্য তার পার্টনারও আহমেদাবাদের বাসিন্দা।
অভয়মের কর্মীরা জানাচ্ছেন– তাদের কাছে সম্প্রতি এক মহিলা ফোন করে বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য সাহায্য চেয়েছেন। এক সন্তানের মা ওই মহিলা জানিয়েছেন, তিনি তার পাবজি গেমের পার্টনারের সাথে থাকতে চান। প্রসঙ্গত পাবজি হল একটি অনলাইন গেম যেখানে যুদ্ধক্ষেত্রে শত্র& পক্ষকে মারতে হয়। কয়েকজনের টিম করে খেলতে হয় যেখানে টিমের সদস্যরা যৌথভাবে শত্র& পক্ষকে আক্রমণ করে যুদ্ধ জয় করেন। খেলতে খেলতে তিনি তার এক সহযোগীর প্রেমে পড়েছেন– প্রেম ক্রমশ বিবাহ বিচ্ছেদের পর্যায়ে নিয়ে গেছে তাকে।
এদিকে ওই মহিলার আবেদনে সাড়া দিয়ে অভয়মের  তরফে কাউন্সেলিং টিম তৈরি করা হয়েছে। তারা ওই মহিলার বাড়িতেও গিয়েছিলেন  ঘটনার তদন্ত করতে। তারা জানতে পেরেছেন যে আবেদনকারী মহিলা  পরিবারের থেকে মোবাইলেই বেশি সময় দিচ্ছেন। ফলে পরিবারের সাথে তার দুরত্ব বেড়েছে দিনের পর দিন। অভয়ম প্রজেক্টের অফিসার নরেন্দ্রসিং গোহিল জানিয়েছেন– তারা ওই মহিলাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন কিন্তু তিনি সিধ্যান্তে অনড়। প্রসঙ্গত মহিলারে জন্য বিশেষ হেল্পলাইন অভয়মে দিনে প্রায় সাড়ে পাঁচশ েফান আসে তার মধ্যে তারা ৯০ টি পরিবারের কাছে কাউন্সেলিং টিম পাঠান। অধিকাং েক্ষত্রে মায়েরা অভিযোগ জানান যে তাদের বাচ্চারা পাবজি খেলায় অসক্ত হয়ে পড়ছে। কিন্তু পাবজি খেলার জন্য ডিভোর্স এর আবেদন প্রথম বলে জানিয়েছেন কাউন্সেলার ইনচার্জ সোনাল সাগাথিয়া। উল্লেখ্য– তারা ওই মহিলাকে সরকারি পুনর্বাসন কেন্দ্রে থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন কিন্তু মোবাইল ব্যবহার করতে পারবে না বলে থাকতে অস্বীকার করেছেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only