বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০১৯

আমেথি হাতছাড়া হচ্ছে রাহুলের, এগিয়ে ওয়েনাডে

 দেশজুড়ে কংগ্রেসের আবারও ভরাডুবির খবর পাওয়া যাচ্ছে। এমনকি ভরাডুবির প্রভাব পড়েছে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর নিজ আসনটিতেও।রাহুল গান্ধী এবার লড়ছেন দুটি কেন্দ্র থেকে। উত্তরপ্রদেশের আমেথি ও কেরালার ওয়েনাড। আমেথিতে রাহুলের চেয়ে বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। আমেথি কংগ্রেসের ঘাঁটি হিসেবেই পরিচিত। উত্তরপ্রদেশের আমেথি আসনের প্রাথমিক ফলে দেখা গেছে, রাহুল গান্ধী তার প্রতিদ্বন্দ্বী স্মৃতি ইরানির চেয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছেন।
বিজেপির প্রার্থী স্মৃতি ইরানি এ আসনে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে বেশ সক্রিয়ভাবে প্রচার চালান। বিজেপির পক্ষ থেকে
অভিযোগ করা হয়, রাহুল গান্ধী তার আসনকে গুরুত্ব দেননি।২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে আমেথিতে রাহুলের কাছে পরাজিত হন স্মৃতি ইরানি। তবে রাহুলের জয়ের ব্যবধান কম ছিল। ২০১৪ সালে মার্জিন কমে দাঁড়ায় ১ লাখ ৭ হাজারে।লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী উত্তর প্রদেশের আমেথি ছাড়াও এবার ভোটে লড়েছেন কেরালার ওয়েনাড থেকে। সেখানে তিনি বহু ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।রাহুল গান্ধী ওয়েনাড থেকে প্রার্থী হওয়ার পর প্রশ্ন ওঠে, তিনি কি তা হলে আমেথিকে আর নিরাপদ ভাবছেন না? তবে কংগ্রেস তা অস্বীকার করে।

উত্তরপ্রদেশের আমেথি বরাবরই কংগ্রেসের আধিপত্য। ১৯৬৭ সাল থেকে মাত্র দুবার এই কেন্দ্র কংগ্রেসের হাতছাড়া হয়েছে। প্রথমবার ১৯৭৭ সালে। জিতেছিলেন জনতা পার্টির রবীন্দ্র প্রতাপ সিং। দ্বিতীয়বার ১৯৯৮ সালের ভোটে। কংগ্রেস ছেড়ে আমেথির রাজা সঞ্জয় সিং বিজেপিতে যোগ দিয়ে তখন জেতেন। এই দুই ব্যতিক্রম ছাড়া কংগ্রেস ও আমেথি সমার্থক।

১৯৮০ সালে এখান থেকে জিতেছিলেন ইন্দিরা-তনয় সঞ্জয় গান্ধী। তার মৃত্যুর পরে পরপর তিনবার এই কেন্দ্র থেকে জেতেন রাজীব গান্ধী। ১৯৯১ সালে রাজীবের মৃত্যুর পর গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ সতীশ শর্মা কংগ্রেস প্রার্থী হয়ে এই কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হন। মাঝখানে ১৯৯৮ সালে নির্বাচিত হন সঞ্জয় সিং। ১৯৯৯ সালে জেতেন সোনিয়া গান্ধী। ২০০৪ সাল থেকে কেন্দ্রটি রয়েছে রাহুল গান্ধীর দখলে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only