বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০১৯

উত্তর-পূর্ব ভারতেও বিজেপির জয়জয়কার

উত্তর-পূর্ব ভারতেও বিজেপির অগ্রগতি অব্যাহত। গেরুয়া ঝড়ে কংগ্রেসের পাশাপাশি আঞ্চলিক দলগুলোর হাল শোচনীয় হয়ে উঠেছে। নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল বা এনআরসির (নাগরিক নিবন্ধন) কোনো প্রভাবই চোখে পড়েনি।সকাল থেকেই উত্তর পূর্বাঞ্চলের আট রাজ্যের ২৫টি লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির জয়যাত্রাই ধরা পড়ে। ২৫টির মধ্যে ১৩টিতেই এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা। কংগ্রেস এগিয়ে আছে মাত্র ৩টি আসনে।
উত্তর পূর্বাঞ্চলে লোকসভার পাশাপাশি দুটি বিধানসভার ভোটও হয়। অরুণাচলে ফের ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে বিজেপি। সিকিমে অবসান ঘটতে চলেছে টানা ২৫ বছর ধরে ক্ষমতাসীন এসডিএম সরকারের। ২৫ বছর মুখ্যমন্ত্রিত্ব করার রেকর্ড নিয়ে পবন কুমার চামলিং সরকারের অবসানের সম্ভাবনা প্রবল।উত্তর পূর্বাঞ্চলের সবচেয়ে বড় রাজ্য আসামে বিজেপি এগিয়ে আছে ৯টি আসনে। একটি আসনে এগিয়ে আছে তাঁদের জোট শরিক অগপ। আরও একটি আসনে বিপিএফের সঙ্গে লড়াই হচ্ছে কংগ্রেসের।কংগ্রেস এগিয়ে আছে ২টি আসনে। এআইইউডিএফ আসামে একটি আসনে এগিয়ে আছে। গতবার আসামে বিজেপি সাতটি আসন পায়। কংগ্রেস পেয়েছিল তিনটি আসন।অরুণাচল প্রদেশ ও ত্রিপুরার দুটি আসনই দখলের পথে বিজেপি। তবে মেঘালয়ের দুটির মধ্যে কংগ্রেস একটিতে এবং এনপিপি অপর আসনে এগিয়ে রয়েছে।ভোটের ফল থেকে স্পষ্ট, গোটা দেশের সঙ্গে উত্তর পূর্ব ভারতের মানুষও নরেন্দ্র মোদির সরকারের ওপরই আস্থা রেখেছেন। আঞ্চলিক ইস্যু গুলি তেমন একটা দাগ কাটতে পারেনি।তবে এখনই হার মানতে নারাজ কংগ্রেস। আসামের কংগ্রেস প্রার্থী সুস্মিতা দেব মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘লড়াই চলছে। এখনই মন্তব্য করার সময় আসেনি।’ত্রিপুরায় সিপিএম দুটি আসনেই পিছিয়ে পড়েছে। দ্বিতীয় স্থান নিয়ে লড়াই হচ্ছে কংগ্রেসের সঙ্গে। দুটি আসনেই বিজেপির জয় নিশ্চিত। বিজেপির দাবি, মোদির উন্নয়ন মডেলকেই সমর্থন করেছেন ত্রিপুরার মানুষ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only