বুধবার, ২২ মে, ২০১৯

রাত পেরোলেই গণনা, প্রস্তুতি চুড়ান্ত

দেবশ্রী মজুমদার, বীরভূম, ২২মেঃ  রাত পেরোলেই গণনা। প্রস্তুতি চুড়ান্ত। এবার ভোট গণনার প্রতিটি টেবিলে এবার একজন করে মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন। বোলপুর লোকসভার গণনা কেন্দ্রের ক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম ঘটবে না। বোলপুর কলেজে মোট ওই লোকসভার মোট সাতটি বিধানসভার গণনা হবে। সকাল আটটা থেকেই সেই কাজ শুরু হবে। জানা গেছে এবার এই গণনার কাজে বেশীরভাগ কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীদের রাখা হয়েছে। গণনার জন্য প্রায় সাড়ে ছ’শো কর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। রাজ্যপুলিশ ছাড়াও, দুই কোম্পানী কেন্দ্রীয়বাহিনী থাকছে গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায়। গণনাকেন্দ্রে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় থাকছে। যারা ভোট গণনার সময় প্রতিটি টেবিলের ফলাফল টুকে রাখবেন। তবে কোন কর্মী কোন গণনা কেন্দ্রে থাকবেন তা ঠিক করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মৌমিতা গোদারা, জেলা পুলিশ সুপার আভারু রবীন্দ্রনাথ ও কমিশন থেকে গণনার নজরদারিতে আসা পর্যবেক্ষকরা মিলে এই কর্মী নিয়োগ করে। বিভিন্ন দল থেকে কর্মীদের শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানানো হয়েছে।   বৃহস্পতিবার সকালে কে কোন টেবিলে গণনা করবেন তা বাছাই পদ্ধতির মাধ্যমে ঠিক করা হবে। গণনার জন্য প্রতিটি বিধানসভার জন্য ১৫ টি করে টেবিল থাকছে। নজরদারিতে থাকছেন একজন করে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক। এবছরই প্রথম ইভিএমের গণনার সংখ্যা ও গণনায় সাহায্য করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ করা হয়েছে। প্রতিটি রাউন্ড শেষে ‘নয়া সুবিধা এপসে’ তা আপলোড করার পর, পরবর্তী রাউন্ডে গণনা শুরু করা হবে। গণনাকেন্দ্রের ভিতর জলের বোতলও নিয়ে যাওয়া যাবে না। কেবলমাত্র সাংবাদিকদের জন্য তাদের অনুমতি পত্রে মোবাইল পাস স্টিকার মেরে দেওয়া হয়েছে। যাতে করে মিডিয়া সেন্টার পর্যন্ত তারা মোবাইল ব্যবহার করতে পারে। উল্লেখ্য, গত লোকসভা নির্বাচনে বোলপুরে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিলেন অধ্যাপক অনুপম হাজরা। তিনি সিপিএমের রামচন্দ্র ডোমকে ২৩৬,১০৯ ভোটে পরাজিত করেন। বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন আমলা কামিনী মোহন সরকার পেয়েছিলেন ১৯৭,৪৭৪ ভোট। প্রার্থী করা হবে না জানতে পেরে আগেই দলত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদান করেন অনুপম। তিনি এবার যাদবপুরের বিজেপি প্রার্থী। ফলে এবার বোলপুর লোকসভায় তৃণমূল প্রার্থী করা হয় হাঁসন বিধানসভার কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মালকে। সিপিএম প্রার্থী এবারও রামচন্দ্র ডোমকে প্রার্থী করেছে। বিজেপি প্রার্থী করেছে অধ্যাপক রামপ্রসাদ দাসকে। এখানে এবারের লড়াইটা সরাসরি তৃণমূলের সাথে সিপিএমের। তৃণমূলের তরফে প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক ভোটে জয়ের আশা করা হয়েছে এই কেন্দ্রে। অন্যদিকে বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রে হ্যাট্রিক করার স্বপ্ন দেখছেন শতাব্দি রায়। তাঁর জয়ের মার্জিন লক্ষাধিক বলে দলে সূত্রের দাবি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only