বুধবার, ২২ মে, ২০১৯

শেষ মুহুর্তে গ্রামে 'এক্সিটপোলের ডিবেট', কৃষ্ণনগর কার?

শুভায়ুর রহমানঃ গনগনে দুপুরে সূর্য তেজ আরও বাড়িয়েছে। ভ্যাপসা গরমে ঘেমে নেয়ে একসা। অত রোদ দেখার সময় নেই। প্লাস্টিকের পাখা ঘোরাতে ঘোরাতে একজন বললেন, রাত পোহালেই সব ফয়সালা হয়ে যাবে।' জমে উঠেছে আলোচনা। এবার কৃষ্ণনগর লোকসভা কার? খোলা আকাশের নীচে গাছ তলায় পিচ রাস্তাটাই যেন একটুকরো স্টুডিও। কৃষ্ণনগর লোকসভা কাদের দখলে যাবে? তৃণমূল কংগ্রেসের মহুয়া মৈত্র নাকি বিজেপির কল্যাণ চৌবে শেষ, হাসি কে হাসবেন? বিভিন্ন প্রশ্ন ও উত্তর  নিয়ে কৃষ্ণনগর লোকসভার গ্রামে গ্রামে চলছে শেষ মুহুর্তে গ্রামের মানুষের 'এক্সিটপোল'। ঠান্ডা ঘরে ক্যামেরার সামনে নয়, এখন রাস্তা, মাঠে-ঘাটে, পাড়ার মোড়ে চায়ের দোকানে, বিভিন্ন স্থানে চলছে নিজেদের মধ্যে 'ডিবেট'। কয়েক দিন আগেই বিভিন্ন সমীক্ষা সংস্থা, টিভি চ্যানেল আভাস দিয়েছে। তবুও তাতে খুব একটা বিচলিত নন। শিক্ষিত, নিরক্ষর সব ধরনের সব বয়সের মানুষের একটাই আলোচনা রাত পোহালেই কার ভাগ্যে শিকে ছিঁড়বে। তেহট্টের বেতাইয়ে বাসিন্দা দীপঙ্কর সরকার জানালেন, যেই জিতুন যেন উন্নয়ন হয়।
বিজেপির কর্মীদের ধারণা তারাই জিতবেন। জেলায় এসে সভা করেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তবে এসবে পাত্তা দিতে চাননা তৃণমূল। রাজ্যের শাসকদলের কর্মীদের মত, কৃষ্ণনগর লোকসভায় সংখ্যালঘু ভোটেই বাজিমাত করবে তৃণমূল কংগ্রেস। এই রকম বিভিন্ন বিষয় উঠে আসছে আলোচনায়। পলাশিপাড়ার বারুইপাড়া গ্রামের বই ব্যবসায়ী কাজি মিজানুর রহমান বললেন, কৃষ্ণনগরে তৃণমূল কংগ্রেস জিতবেই।' কৃষ্ণনগর কেন্দ্র তো বটেই রাজ্য এমনকি দেশের সার্বিক ফলাফল কি হবে সেসবেও ঝড় উঠছে চায়ের চুমুকে। ধুবুলিয়া, কালীগঞ্জ, চাপড়া সব জায়গাতেই একই আলোচনা। টিভির এক্সিটপোল যতই চুলচেরা বিশ্লেষণ করুক না কেন, নিজেদের মধ্যেও, চলছে জোর তরজা। পলশুন্ডার ব্যবসায়ী, সামিম সেখ, মিঠুন ঘোষের কথায়, গণতন্ত্রের উৎসবে আলোচনা, তর্ক সবকিছুই চলবে। বন্ধু পরিচিতজনের মধ্যে তরজায় বেশ কাটছে। দেখা যাক কি হয়। রাত পোহালেই তো সব জল্পনার অবসান হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only