মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০১৯

অভাবের সঙ্গে লড়াই করে অধ্যাপক হতে চান এবাদত

শুভায়ুর রহমান, নাকাশিপাড়াঃ তার লড়াইটা শুরু হয়েছে এক্কেবারে শূন্য থেকে। দিনমজুর পিতার ইচ্ছেকে বাস্তবে রূপ দিতে এখনো অনেকটা পথ পেরোতে হবে। কিন্তু যা পথ পেরিয়েছেন সেটাই বা কম কিসের?
এবছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় ৪৪৫ নম্বর পেয়ে জীবনের সংগ্রাম জারি রেখেছেন নদিয়ার নাকাশিপাড়ার সবাইনগর গ্রামের এবাদত সেখ। তার বিষয়ভিত্তিক নম্বর বাংলায় ৮৮, এডুকেশনে ৮৬, দর্শনে ৮৫, রাস্ট্রবিজ্ঞানে ৯০, ইতিহাসে ৯৬ নম্বর। সে স্থানীয়  সুধাকরপুর হাইস্কুলে পড়ত। সোহরাব সেখ ও জালেমা বিবির তিন মেয়ে ও একমাত্র ছেলে এবাদত। তিন মেয়েরই বিয়ে হয়ে গেছে। সোহরাব সেখের নিজস্ব কোন জমি না থাকায় পরের জমিতে দিনমজুরি করেন। বাঁশের বেড়ার ঘরে এবাদতের বেড়ে ওঠা। সংসারে প্রচণ্ড অভাব থাকায় কোন মিশন কিংবা বাইরের স্কুলে ভর্তি হতে পারেনি এবাদত, তাই গ্রামের স্কুলেই ভর্তি হয়। এবাদত জানায়, বাবা দিনমজুরের কাজ করে। এতটাই সংসারে অভাব যে ভাল ঘরও নেই। অধ্যাপক হতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছি।' তার অদম্য সাফল্যে খুশি পরিবার সহ আত্মীয় পরিজন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only