বুধবার, ২৯ মে, ২০১৯

৩,৩০০ টনের বেশি প্লাস্টিক বর্জ্য ফেরাচ্ছে মালয়েশিয়া

কুয়ালা লামপুর, ২৯ মে: ৩,৩০০ টন পূণরব্যবহার অযোগ্য প্লাস্টিক বর্জ্য ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া। মূলত, আমেরিকা, ব্রিটেন, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ার মত ধনী দেশগুলি থেকে এই বর্জ্য মালেশিয়ায় আসছিল।অনেক আগে থেকে এমন ধরণের বর্জ্য রিসাইক্লিং মালয়েশিয়ার কারাখানাগুলিতে আনা হত। কিন্তু সম্প্রতি দেশিটর জ্বালানি, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী ইও বি উইন বলেন, ৬০ কন্টেইনারবাহী বর্জ্য প্রচলিত পরিবেশ আইন না মেনে এবং মিথ্যা তথ্য দিয়ে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে পাঠানো হয়েছে এবং কোন দয়া না দেখিয়ে সেগুলি সেসব দেশেই ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হবে। আমরা আমেরিকা, জাপান, ফ্রান্স, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও ব্রিটেনসহ কমপক্ষে ১৪টি দেশকে সনাক্ত করেছি যাদের বর্জ্য ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, চিন প্লাস্টিক  বর্জ্য আমদানি বন্ধ করার পর, মালয়েশিয়াই এখন প্লাস্টিক বর্জ্য রিসাইক্লিং করার ক্ষেত্রে প্রধান দেশ হয়ে উঠেছে। তাই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বর্জ্য এসে ঢুকছে মালয়েশিয়ায়।সেই সঙ্গে কিছু অবৈধভাবে নিষিদ্ধ প্ল্যাস্টিক বর্জ্য এদেশে আমদানি করা হচ্ছে।দুবছরে খোদ আমেরিকা থেকে ৫,৫০০ টন বর্জ্য মালয়েশিয়ায় আমদানি করা হয়েছে। কিন্তু মালয়েশিয়া সারা বিশ্বের বর্জ্য ফেলার স্থান নয়। তাই কোনও রেয়াত না করেই মালয়েশিয়াই এই অব্যবহারযোগ্য প্ল্যাস্টিক বর্জ্যগুলিকে  ফেরত পাঠানো হবে। উন্নত দেশগুলি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদের বর্জ্যের বিষয়ে সচেতন নয়। তারা মনে করে তাদের পাঠানো সমস্ত বর্জ্য রিসাইক্লিং হচ্ছে। তবে এটি সত্য নয় এই বর্জ্য বেশিরভাগ মালয়েশিয়ার পরিবেশকে মারাত্মভাবে দূষিত করে তুলছে।
গতবছর মালয়েশিয়াসহ ১৮৭ টি দেশের সরকার  ব্যাসেল কনভেনশন চুক্তিতে প্লাস্টিককে অন্তর্ভূক্ত করতে সম্মত হয়। চুক্তিটিতে বিশ্বব্যাপী প্লাস্টিকের কারণে পরিবেশদূষণ হ্রাস করার লক্ষ্যে এক দেশ থেকে দেশে দূষণকারী সামগ্রী পাঠানো রোধ সংক্রান্ত বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার মালয়েশিয়া ৩ ,৩০০ টন বর্জ্য যার যার দেশে ফেরত পাঠানোর ঘোষণা দেয়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only