বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০১৯

আইপিএস অফিসার হয়ে দেশ সেবা করতে চায় প্রাইভেট বাস কন্ডাক্টরের ছেলে সেখ আমির

দেবশ্রী মজুমদার, বীরভূম, ১৬ মেঃ  প্রাইভেট বাসকন্ডাক্টরের ছেলে সেখ আমির হাইমাদ্রাসা পরীক্ষায় জেলার মধ্যে প্রথম হয়ে মান রাখল জেলার। বড় হয়ে আই পি এস অফিসার হয়ে দেশের সেবা করতে চাই সে। আশা ছিল আরও ভালো ফল করার। বাড়ি খবরের শিরোনামে আসা নানুরের বাসা পাড়ায়। এবার নানুরের নওদা পালুন্দি হাই মাদ্রাসা থেকে ৬৮৯ নাম্বার পেয়ে সাড়া ফেলেছে সে। শতাংশের বিচারে তার প্রাপ্ত নাম্বার ৮৬.১২।  নওদা পালুন্দি হাই মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাসির সাহেব জানান,  খুব মেধাবী ছাত্র সেখ আমির। বাবা সেখ আজাবুল একটি প্রাইভেট বাসের কন্ডাক্টর। বড় হয়ে আইপিএস অফিসার হতে চায় সে। তাঁদের স্কুল থেকে গত বছরেও ১৩ র‍্যাংক করে এক ছাত্র। অন্যদিকে, নলহাটি-১ নং ব্লকের অধীন আমাইপুর মিলনী হাই মাদ্রাসা থেকে পরীক্ষা দেয় বেনজির রহমান। তার প্রাপ্ত মার্ক্স ৬৮২ মার্কস। শতাংশের বিচারে ৮৫.২৫।  বেনজিরের বাবা আমাইপুর সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির ক্যাশিয়ার। বাড়ির অবস্থা মোটের উপর স্বচ্ছল। অন্যদিকে,  জেলার মধ্যে তৃতীয় স্থান দখল করে নানুর থানার খুজুটি পাড়ার কাছে নবস্তা আব্দুস  সাত্তার ফ্রী হাইমাদ্রাসার ছাত্রী জেসমিন খাতুন। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৭৭। বাড়ি নবস্তা গ্রাম। খুব গরীব পরিবারের মেয়ে সে। বাবা  গরীব চাষি।শতাংশের বিচারে তাঁর প্রাপ্ত মার্ক্স ৮৪.৬২ শতাংশ।  একইভাবে, কেন্দ্র ডাঙ্গাল মাদ্রাসা থেকে জাকির হোসেন ৬৭৭ পেয়ে যুগ্মভাবে জেলার মধ্যে তৃতীয় স্থান দখল করে।  নলহাটির আমাইপুর হাইমাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মণিরুল ইসলাম জানান,  এবার তাঁদের হাইমাদ্রাসায় পাশের হার একশ শতাংশ। ১৩১ পরীক্ষার্থী ছিল। পুরুষ ৩৪। মহিলা ৮৭জন। পাইকর হাইমাদ্রাসায় সর্বোচ্চ নাম্বার পায় ইয়াসমিন সুলতানা। তার প্রাপ্ত নাম্বার ৬৩১। পাইকরের কাশিমনগরে তার বাড়ি। বাবা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।  এই মাদ্রাসায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২২৫ জন। ৯জন বাদে, ২১৬ জন পাশ করে। তার মধ্যে  পুরুষ পরীক্ষার্থী ছিল ৩৮ জন। বাকিরা ছিল মহিলা বলে জানান, পাইকর হাইমাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ইমতিয়াজ হোসেন। নবস্তা আব্দুস সাত্তার ফ্রী হাইমাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ সাহা জানান, মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৪২ জন। তার মধ্যে ৩১ জন পাশ করে।  তার মধ্যে পুরুষ ছিল– ৬জন, মহিলা-৩৬।  উত্তীর্ণ হয়  ৫ জন পুরুষ। উত্তীর্ণ মহিলা পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৬। আলিম পরীক্ষায়  গুরিষা সিনিয়র মাদ্রাসার ছাত্রী গুলসানা খাতুন ৭০৩ মার্ক্স পান। মেটেকনা সিনিয়র মাদ্রাসা থেকে আসমা খাতুন ৬৮৫ মার্কস পান। ফজিল পরীক্ষায় মেটেকনা সিনিয়র মাদ্রাসার পরীক্ষার্থী আব্দুল হামিদ ৫১৬ মার্ক্স পায়। মুস্তাফাডাঙ্গা সিনিয়র মাদ্রাসার ছাত্র আসাদুল সেখ পায় ৪৬৫ মার্ক্স। হাইমাদ্রাসা, সিনিয়র হাইমাদ্রাসার আলিম ও ফজিল পরীক্ষা ১২ ফেব্রুয়ারী পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। পরীক্ষা শেষ হয়েছিল ১৬ মার্চ। ৫৬ দিনের মাথায় পরীক্ষার ফল ঘোষিত।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only