বুধবার, ২৯ মে, ২০১৯

রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ রোহিঙ্গা শিবিরে, বেড়েছে লাশ-গুম, খুন ও ধর্ষণ

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির। সেখানেই অন্তত ১৪টি গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে। চলছে ক্ষমতা দখলের লড়াই। এর ফলে প্রতিনিয়ত হচ্ছে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষহচ্ছে অপহরণ ও ধর্ষণ-সহ নানা অপরাধমূলক ঘটনাও। গত সাড়ে চার মাসে খুন হয়েছে ৩২ জন রোহিঙ্গা। অভিযোগ এসেছে, ভাসানচর ও মায়ানমারে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করতে পরিকল্পিতভাবে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চালানো হচ্ছে। সেই কারণেই শিবিরগুলিতে অশান্তি বাড়ছে।
ত্রাণ ও রোহিঙ্গা প্রত্যার্পণ দপ্তরের কমিশনার মহম্মদ আবুল কালাম এই বিষয়ে বলেছেন, ''আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল বাড়ানো হয়েছে যেন এই অশান্তি কিছুটা কমানো যায় অন্যদিকে গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। জেলা পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, টেকনাফ ও উখিয়ার বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে রোহিঙ্গাদের ১৪টি দল রয়েছে। তারা শিবিরের অভ্যন্তরে দোকানপাট ও মাদক বিক্রির আখড়া তৈরি, মানব পাচার, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়, ডাকাতি ও নানা অপরাধ করছে। এদিকে মুক্তিপণ আদায়ের জন্য বাহিনীর সদস্যরা লোকজনকে অপহরণ করে। মুক্তিপণ না পেলে খুন করে লাশ গুম করে দিচ্ছে। ইয়াবা ও মানব পাচারে যুক্ত থাকার পাশাপাশি এই বাহিনীর সদস্যরা রোহিঙ্গা যুবতীদের তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ পর্যন্ত করে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only