মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০১৯

একটানা ধর্নায়, প্রেমিক-প্রেমিকার চার হাত এক হল কালীগঞ্জে

শুভায়ুর রহমান, কালীগঞ্জ

 বেশ কিছু দিন আগে উত্তর বঙ্গের ধূপগুড়ির বাসিন্দা অনন্ত বর্মন ভালোবাসার দাবিতে প্রেমিকার বাড়ির সামনে ধর্নায় বসেছিলেন। যতক্ষণ না প্রেমিকা বিয়েতে রাজি হচ্ছেন  ততক্ষণ তার ধর্না চলবে। অবশেষে প্রেমিকা বিয়েতেই সিলমোহর দেন। এই ঘটনা নিয়ে রাজ্যজুড়ে চলে জোর চর্চা। খবরের শিরোনামে উঠে আসে অনন্ত ও লিপিকার প্রেম পর্ব। আর এবার দক্ষিণবঙ্গের জেলায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে  প্রেমিকার ধর্নায় শোরগোল পড়েছে। সোমবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত একটানা ধর্নায় পিছু হটল প্রেমিক। প্রেমিকার বাড়ির লোকেরা মেয়েটির সঙ্গে বিয়েতেই সম্মতি দেয়। সেই মতো মঙ্গলবার চার হাত এক হল বলে এলাকা সূত্রে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কালীগঞ্জের রাধাকান্তপুর গ্রামের পূর্ব পাড়ায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাধাকান্তপুর গ্রামে প্রেমিকের বাড়ির সামনে ধর্নায় বসে একই থানা এলাকার গোবিন্দপুর গ্রামের মাহফুজা খাতুন। দীর্ঘদিন প্রেমিক জিন্নাত আলির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। তিন বছর পর প্রেমিকা বিয়ে করতে বললে ওই যুবক জিন্নাত আলি বিয়ে করিতে বেঁকে বসে। বারংবার বলেও রাজি না হওয়ায় সোমবার থেকে জিন্নাত আলির বাড়ির সামনে মাহফুজা ধর্নায় বসে। মাহফুজা পলাশী কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। একই কলেজের ছাত্র জিন্নাত। সেখান থেকেই দুজনের পরিচয় ও প্রেম পর্ব শুরু হয় বলে জানা গেছে। মাহফুজা জানায়, তিন বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক। মাস কয়েক আগে বিয়ে করতে বললে বেঁকে বসে জিন্নাত। 

 ফোনের নম্বরও পালটে ফেলে। জানা গেছে, জিন্নাতের বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব পাঠানো হয় মেয়েটির পরিবারের পক্ষ থেকে। তাতে রাজি হয়নি ছেলেটির পরিবার। এর পরই প্রেমিকা ধর্নায় বসার সিদ্ধান্ত নেয়।তার একটাই দাবি ছিল 'সুবিচার চাই'। এরপর স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের হস্তক্ষেপে সমাধান সূত্র বের করার তোড়জোড় শুরু হয়। দু'পরিবারের সঙ্গে বসেন মীরা ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান। ছেলেটি বিয়েতে রাজি হলে মঙ্গলবার দুপুরে বিয়ে হয়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only