বুধবার, ১৯ জুন, ২০১৯

ড্রিম স্কুল অফ ক্রিকেট কোচিং ক‍্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মনোজ তেওয়ারি

দেবশ্রী মজুমদার, রামপুরহাট,১৮ জুন:  নিজের জীবনে এত বড় স্পেস পায়নি যখন ক্রিকেট জীবন শুরু করি- রামপুরহাটে ড্রিম স্কুল অফ ক্রিকেট নামে এক অত‍্যাধুনিক ক্রিকেট কোচিংয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে বললেন বাংলার অধিনায়ক তথা দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেটার মনোজ তেওয়ারি
মনোজ তেওয়ারি বলেন, আমি মনে করি, যদি কোচের কথা শোন, কঠোর পরিশ্রম করো, বাবা মায়ের কথা শোন, তাহলে জীবনে কিছু না কিছু হবে। সুমন্ত গুপ্তর সাথে আমার পরিচয় কালিঘাট বনাম ইস্টবেঙ্গলের খেলায়। ব‍্যাটিং বোলিং দুটোতেই ও খুব ভালো। ফিল্ডিংয়ে অসাধারণ। শুধু কলকাতা নয় গোটা দেশে এমন ফিল্ডিং খুব কম দেখা যায়। আমার জীবনে আদর্শ ছিল জন্টি রডস। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলবে। বেশি ডিস্ট্রাক্ট হবে না। এখন মোবাইলের যুগ। মোবাইল থেকে দূরে থাকবে। এই কোচিং সেন্টার থেকে কেউ বাংলা বা দেশের হয়ে খেললে আমার থেকে কেউ খুশি হবে না। এখানে একবার না আমি বারবার আসব। কারণ এটা আমার দায়িত্ব। কলকাতায় অনেক কোচিং ক‍্যাম্প দেখেছি। কিন্তু তার মধ্যে অনেক কোচিং ক‍্যাম্প বিজনেস চালায়। আর শুধু যারা এটা করে তাদের মন ভালো নয়। কিন্তু সুমন্তর মন ভালো। তাই এই কোচিং ক‍্যাম্প ভালো চলবে। অনেক সময় আমরা কে কতটা সাকসেসফুল দেখে জাজ করি, রেসপেক্ট করি। সেটা ঠিক না। জেলার অনেক ছেলেদের দেখেছি, ঠিক সময়ে সাপোর্ট পায় না।  সুমন্ত গুপ্ত জানান, সিনিয়র বাংলার  হয়ে ২০১৭-১৮ সালে ৫০ ওভারের বিজয় হাজারে ট্রফি ও  ২০ ওভারের সৈয়দ মুস্তাক আলী ট্রফিতে খেলার সময় বা কোলকাতার বিভিন্ন ক্লাবে খেলার সময় আমার মনে হয়েছিল,  বোলিং মেশিনের মতো আধুনিক উপকরণ যদি আমার এলাকার ছোট ছোট বাচ্চাদের কাছে পৌঁছে দিতে পারি, তাহলে ওরা বাচ্চা বয়স থেকে  অনেক এগিয়ে যাবে। তাই এই কোচিং ক‍্যাম্পের আয়োজন ভাঁড়শালা দিঘীর পাড়ে জেডিপিএল মাঠে। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রী আশিষ বন্দোপাধ্যায়, মহকুমা শাসক জনাব নাভেদ আক্তার, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সৌম‍্যজিত বড়ুয়া প্রমুখ। মহকুমা শাসক জাভেদ আক্তার ও কৃষি মন্ত্রী আশিষ বন্দোপাধ্যায় এই কোচিং ক‍্যাম্পের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only