শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০১৯

রাস্তা  নির্মাণে প্রশ্ন তুলে  বিক্ষোভ, ঘটনাস্থলে মহকুমা শাসক 

পারিজাত মোল্লা, মঙ্গলকোট:- রাস্তা নির্মাণে  ঠিকেদারি  সংস্থার অবস্থানে প্রশ্ন তুলে তুমুল অসন্তোষ  দেখা  গেল মঙ্গলকোটের শ্যামবাজার  এলাকায়। পরিস্থিতি  এমন  যে, কাটোয়া মহকুমা শাসক সৌমেন পাল সংশ্লিষ্ট  দপ্তরের  আধিকারিকদের নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই মঙ্গলকোটের শ্যামবাজার  থেকে কাটোয়ার ফুলবাগান  অবধি ১২ কিমি রাস্তা নির্মাণ নিয়ে কয়েকশো এলাকাবাসী  বিক্ষোভ  দেখান। খেড়ুয়া, ষাঁড়ি গ্রামের বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখান। বিক্ষোভের নেতৃত্বে  থাকা প্রশান্ত মন্ডল বলেন, "১২ কিমি পথের জন্য ৩২ কোটি টাকা  অনুদান  এসেছে। তবে রাস্তাটি ৬ ফুট  গভীর করে বালি এবং পাথরের গুড়ো দিয়ে ভর্তি করে পিচ করতে হবে। যেভাবে মঙ্গলকোটের ষাড়ি, খেড়ুয়ার অজয় নদের বালিঘাট থেকে শয়ে শয়ে নিত্যদিন বালির গাড়ী যায়। সেখানে  রাস্তা বেশিদিন টিকবেনা। ২০১৩ সালে এই সড়কপথে রাস্তা পুন নির্মাণের ৬ মাসের মধ্যেই  রাস্তার পিচ উঠে যায়। খানাখন্দে ভরে যায়। ছোটখাটো দুর্ঘটনা লেগেই থাকে। এই রুটে বছরে দুই থেকে তিনজন গড়ে পথদুর্ঘটনার বলি  হতে হয় বলে জানা গেছে। তাই রাস্তাটি মজবুত করে গড়ার দাবি তোলেন কয়েকশো এলাকাবাসী। কাটোয়া মহকুমাশাসক সৌমেন পাল বলেন, "বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য শুনেছি, বিষয়টি  খতিয়ে দেখা হচ্ছে।'' উল্লেখ্য মঙ্গলকোটের শ্যামবাজার থেকে কাটোয়ার ফুলবাগান অবধি যাত্রীবাহী বাস সেভাবে না চললেও দিনেরাতে ওভারলোডিং বালির গাড়ী যাতায়াত করে থাকে। এইসব অঞ্চলে অজয় নদের বালিঘাট বৈধভাবে হাতেগোনা কয়েকটি থাকলেও  অবৈধ বালির ঘাট রয়েছে বেশি। বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্যে এলাকাবাসীরা তটরস্থ থাকে। তবে যেযেভাবে বালির গাড়ীর সৌজন্যে রাস্তার হাল বিপদজনক হয়ে উঠেছে, সেখানে রাস্তা পুন নির্মাণে রাস্তায় না নামলে নুতন রাস্তার মেয়াদ বেশিদিন টিকতো না বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only