বুধবার, ১২ জুন, ২০১৯

বীরভূমে পা রেখেই মুরারই ও নলহাটিতে শতাব্দী

দেবশ্রী মজুমদার, মুরারই, ১২ জুন: জেতার পর বীরভূমে প্রথমে মুরারই তারপরে  নলহাটিতে পা রাখলেন সাংসদ শতাব্দী রায়। বুধবার মুরারইয়ের কবি নজরুল কলেজে সাংসদকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় ফুলের তোড়া ও একটি শাড়ি।
কৃতজ্ঞতায় আপ্লুত সাংসদ বলেন, তৃতীয় বারের জন্য জয়ের পর বীরভূমে এসে প্রথম পা রাখলাম এই মুরারইয়ে। আপনাদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। কারণ এই মুরারই প্রতিপক্ষকে আঁটকে দিয়েছে। প্রচুর লিড দিয়েছে আমাকে। তবে ভালো লাগছে, আপনারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আস্থা রেখেছেন, ভালো বেসেছেন। আমি যখন আগে এসেছিলাম, বলেছিলাম মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিই না। যা পারি, তাই বলি, আর তাই করি। আর আপনারা আমাকে ভরসা করেছেন। দেখুন, যা করার আছে, যদি একশ বছর বাঁচি এবং একশ বছর সাংসদ হই, তাহলে সব কাজ করা সম্ভব। আমি দ্বিতীয় বার জেতার পর রামপুরহাট মহকুমা হাসপাতালের সমস্ত ডাক্তারকে বলেছিলাম, আপনাদের একটি মোবাইল ভ‍্যান দিচ্ছি চিকিৎসার প্রয়োজনে। আপনারা মাসে একদিন গ্রামে সময় দিন। কিন্তু সেটা পাইনি। আমি কী করতে পারি? হাসপাতালে উন্নয়নের জন্য কেন্দ্র সরকারকে বলতে পারি। বালুরঘাট এক্সপ্রেস যাতে মুরারইয়ে থামে, তার জন্য রেলমন্ত্রীর কাছে দাবি জানাব, তবে এব‍্যাপারে প্রতিশ্রুতি দিতে পারব না। একইভাবে, মুরারইয়ে মাকোয়া রেলগেটের ব‍্যাপারে কোন কথা দিতে পারেননি সাংসদ। জানা গেছে, আগে এটির কোন প্রহরী ছিল না। বর্তমানে একজন প্রহরী আছেন। অন‍্যদিকে, মুরারইয়ে জল কষ্ট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জলের স্তর নেমে গেছে। এক্ষেত্রে একটা সমস‍্যা হয়েছে। এদিন সাংসদ মুরারই১ ব্লকের কবি নজরুল কলেজ, মুরারই ২ ব্লকের হিয়াত নগর এবং নলহাটির এল আই সি ভবনের উপর তলায় দলের কর্মী এবং এলাকার মানুষের জন্য সৌজন্য সভা করেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only