বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০১৯

‘জনগণমন’ থামিয়ে ‘বন্দেমাতরম’ গাইতে জোরাজুরি, বিতর্কে বিজেপি বিধায়ক

বিজেপি পরিচালিত ইন্দোর মিউনিসিপ্যালে জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’ মাঝপথে থামিয়ে সেখানে জোরাজুরি করা হল জাতীয় স্তোত্র ‘বন্দেমাতরম’ গাইবার জন্য। যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। অনেকেই একে দেশের জাতীয় সঙ্গীতের অমর্যাদা বলে মন্তব্য করেছেন। প্রশ্ন উঠছে– যে দল নিজেদের ‘দেশপ্রেমি’– ‘জাতীয়তাবাদী’ বলে দাবি করে থাকে তারা কীভাবে এই ধরনের কাজ করল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অভিযোগের তীর এক বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে।
বিজেপি পরিচালিত ইন্দোর পুরসভায় বুধবার বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ সেখানে জাতীয় সঙ্গীত চলাকালীন পুরসভার কর্মীরা বারবার তাতে বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করেন। মাঝপথে জাতীয় সঙ্গীত থামিয়ে ‘বন্দেমাতরম’ গাইতে জোরাজুরি করতে থাকেন। একটি ভিডিয়ো ক্লিপিং সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তাতে স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক তথা পুরসভার মেয়ার মালিনী গউরকে দেখা গিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন– বুধবার ছিল পুরসভায় বাজেট অধিবেশন। সেইমতো সেখানে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হচ্ছিল। সেখানে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সঙ্গে অন্যান্যরাও উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় সঙ্গীত চলার মাঝে হটাৎই একদল পুর-সদস্য জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া বন্ধ করে দিয়ে বন্দেমাতরম গাইতে শুরু করেন এবং সবাইকে ‘বন্দেমাতরম’ গাওয়ার জন্য জোরাজুরি করতে থাকেন। স্বাভাবিকভাবেই ঘটনায় ক্ষুব্ধ পুরসভার বিরোধী দলগুলি। তারা এটিকে জাতীয় সঙ্গীতের ‘অমর্যাদা’ বলে মন্তব্য করে ঘটনার তদন্ত দাবি করেছে। যদিও পুরসভার চেয়ারম্যান অজয় সিং নারুকা অবশ্য এই অভিযোগ মানতে চাননি। তাঁর যুক্তি– জাতীয় সঙ্গীতকে অমর্যাদা করার কোনও অভিপ্রায়ই কারও ছিল না। যাঁর নেতৃত্বে এই জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হচ্ছিল– তিনি লাইন ভুলে গিয়ে ‘বন্দেমাতরমের’ লাইন বলতে শুরু করেন। এটা নিছকই ভুল। মুখ ফস্কে হয়ে গিয়েছে। এর পিছনে কারও কোনও অসৎ উদ্দেশ্য ছিল না।


   

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only