শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০১৯

পূর্বস্থলীতে তাঁতিদের জন্য কর্মতীর্থ হচ্ছে 

পারিজাত  মোল্লা , মঙ্গলকোট:-  পূর্বস্থলী ১  নম্বর ব্লকের নসরতপুর এলাকায় রয়েছে প্রচুর দোকানপাট। পূর্ব বর্ধমান জেলার মধ্যে সমুদ্রগড় তাঁতীদের বসবাস সবচেয়ে  বেশি। তাঁতিদের বসবাসের ফলে এখানে তাঁতিদের হাতে প্রচুর কাপড় তৈরি হয়। তাঁত কাপড় বিক্রির জন্য দরকার বিপণন কেন্দ্র। তাই চলতি বছরেই গড়ে উঠবে এই অঞ্চলে একটি কর্মতীর্থ ভবন । ইতিমধ্যে কর্মতীর্থ গড়ার জন্য বরাদ্দ হয়েছে ২ কোটি ৯১ লক্ষ টাকা।ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর কালনা কাটোয়া রোড এর ধারে পূর্ত বিভাগের   ২৪ শতক জমিকে চিহ্নিতকর করেছে এবং এখানেই গড়ে উঠবে কর্মতীর্থ প্রকল্পটি।  ইতিমধ্যেই জমির মাটি পরীক্ষা পড়া শেষ হয়েছে। এই প্রসঙ্গে কালনা কাটোয়া পূর্ত দপ্তরের সরকারি ইঞ্জিনিয়ার অসীম বসু জানিয়েছেন -  মার্কেটিং হাব এর জন্য নসরতপুরে একটি কর্মতীর্থ গড়ে উঠবে খুব তাড়াতাড়ি ।এখানে থাকবে ৪০ টি ঘর।খুব শীঘ্রই কাজ শুরু হয়ে যাবে বলে ব্লক প্রশাসন সুত্রে জানা গিয়েছে।এই ব্লকের নসরতপুর গ্রাম পঞ্চায়েত সব থেকে বড় বাণিজ্য কেন্দ্র হবে। এই সমুদ্রগড়ে রয়েছে গনেশ চন্দ্র কর্মকার হাট। এই হাটে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও বিভিন্ন রাজ্য থেকেও ব্যবসায়ীরা আসেন এবং কাপড় কিনে নিয়ে যায়।   তাই কর্মতীর্থ তৈরি করার প্রয়োজন ছিল বলে এলাকার মানুষ জানিয়েছেন। গনেশ চন্দ্র কর্মকার হাটের অন্যতম কর্মকর্তা সুবীর কুমার কর্মকার, আনন্দ বসাক প্রমুখ জানিয়েছেন - তাঁত নির্ভরশীল এলাকা এটি। ব্যবসায়ীদের জন্য কর্মতীর্থ অবশ্যই কাজে লাগবে আমরা চাই দ্রুত প্রকল্পের  কাজ শুরু হোক।পূর্বস্থলী ১ নম্বর বিডিও  বলেন, ''রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের কর্মতীর্থ তৈরি হবে এই নসরতপুর অঞ্চলে। গত বছর রাজ্য সরকারের আর্থিক অনুমোদন পাওয়া যায়। কর্মতীর্থ টি তৈরি হলে এলাকার বহু বেকার যুবক যুবতীদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি  অর্থনৈতিকভাবে এলাকার আমূল পরিবর্তন ঘটে যাবে বলে তিনি মনে করেন।নদীয়া লাগোয়া এই এলাকায় রেল, সড়ক যোগাযোগের পাশাপাশি নদী পরিবহন ভালোই। তাই কর্মতীর্থ প্রকল্প ঘিরে আশায় বুক বাঁধছে তাঁতিদের পরিবার।''

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only