বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই, ২০১৯

অনলাইনে বিরিয়ানি বেচ্ছেন জেলের কয়দিরা!


বিরিয়ানি! নাম শুনলেই আসে জিভে জল। তাই এই বিরিয়ানিকে হাতিয়ার করেই, জেলের বাইরে আমজনতার মধ্য নিজেদের হাতের রান্নার স্বাদ পৌঁছে দিতে চাইছেন কেরলের ভাইরু সেন্ট্রাল জেলের কয়দিরা।প্রথম পর্যায়ে তারা সুইগির অনলাইন অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

তাদের মেন্যুতে রয়েছে বিরিয়ানি কম্বো, যার দাম মাত্র ১২৭ টাকা। এই কম্বো মিলে রয়েছে, ৩০০ গ্রাম বিরিয়ানি, এক পিস রোস্ট মুরগির মাংস, তিনটি রুটি, একটা কেক, সালাদ, আচার এবং এক বোতল জল। রসনার মাধ্যমে তাদের কাল অতীত ভুলে চরিত্র সংশোধনের পথ বেছে নিয়েছেন এই সংশোধনাগারের বহু কয়েদি। এখন মানুষকে তৃপ্তি ভরে খাবার খাওয়ানোই তাদের একমাত্র লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফ্রিডম ফুড ফ্যাক্টরি নামে একটি খাবার সরবরাহকারি সংখ্যা ২০১১ সালে প্রথম জেল কয়েদিরা খাবার ডেলিভারির ব্যবসা খোলে। আরও বৃহত্তর পর্যায়ে নিজেদের খাবার পৌঁছে দেওয়ার জন্য অনেকদিন ধরেই ভেবে আসছিলেন কয়েদিরা। তাই এই উদ্যোগ।

সংশোধনাগারে সুপারিনটেন্ডেট নির্মালানন্দ নায়ার জানিয়েছে, আমরা এবার অনলাইনে পৌঁছে গিয়েছি। ২০১১ সাল থেকে কয়েদিদের হাতের তৈরি করে খাবার ডেলিভারি করছি। প্রথমে রুটি দিয়ে শুরু করা হয়েছিল। কয়েদিদের সুস্থ জীবনের প্রতি উৎসাহ দিতে ডিজিপি ঋষিরাজ সিং অনলাইনে যাওয়ার ধারণা দেন।

এত কম দামে এতি কিছু সুস্বাদু খাবার পেয়ে যাওয়া কয়েদিদের রান্না সাধারণ মানুষও গ্রহণ করতে শুরু করেছে। নায়ার আরও বলেন আমরা নিরামিষ ও আমিষ দুই ধরণের বিরিয়ানি বিক্রি করি। এছাড়া কেক পেস্ট্রিসহ বিভিন্ন পদ বিক্রি করা হবে। আজ থেকে শুরু হয়েছে এই নতুন পরিষেবা। এলাকার ৬ কিলোমিটারের মধ্যে আপাতত এই পরিষেবা চালু করা হয়েছে। পরবর্তীতে তা বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছে সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ। আপাতত দিনে তারা ২৫ হাজার রুটি, ৫০০ প্যাকেট বিরিয়ানি তৈরি করে থাকেন। সংশোধনাগারের আবাসিকরা জানিয়েছে, এই উদ্যোগ তাদের জীবন বদল করতে সাহায্য করছে। জীবনের প্রতি উৎসাহিত করছে।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only