শুক্রবার, ৫ জুলাই, ২০১৯

সুদানে কি জট কাটতে চলেছে?


দীর্ঘ দিন ধরে শান্ত রয়েছে সুদান।মাসের পর মাস ধরে চলা আন্দোলনে অস্থিরতা চরমে উঠে ছিল। কিভাবে জট খুলবে তা নিয়ে দোলাচলে ছিলেন সকলেই।

তবে এত দিন পর হয়ত সংকট কাছ চলেছে। শুক্রবার সুদানের ক্ষমতাসীন সামরিক কাউন্সিলের সঙ্গে বিক্ষোভকারী নেতাদের একটি যুগান্তকারী চুক্তি হয়েছে।মাসের পর মাস ধরে চলা দেশটির রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার অবসান ও পারস্পরিক ক্ষমতা ভাগাভাগির ক্ষেত্রে এই চুক্তি একটি বড় পদক্ষেপ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এক বিবৃতিতে ক্ষমতাসীন সামরিক পরিষদের উপ-প্রধান জেনারেল মুহাম্মদ হামলদান দাগালো বলেন, আমরা সকল রাজনৈতিক শক্তি এবং এই পরিবর্তনের অংশীদার সকলকে আশ্বস্ত করতে চাই যে এই চুক্তিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। কাউকে বাদ রাখা হয়নি।

চুক্তি সম্পর্কে আফ্রিকান ইউনিয়নের মধ্যস্থতাকারী মুহাম্মদ আল-হাসেন লেবাত বলেন, উভয় পক্ষ তিন বছর বা এর কিছু বেশি মেয়াদে পালা করে সামরিক ও বেসামরিক প্রেসিডেন্টের দায়্ত্বি পালনে সুযোগ রেখে একটি পরিষদ গঠনে দুই পক্ষই সম্মত হয়েছে।

প্রথমে জিনিসপত্রে মুল্যবৃদ্ধি নিয়ে সুদানের মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে শুরু করে। এরপর রুটি দাম বাড়িয়ে দেওয়া দীর্ঘ দিনের বশির সরকারের ওপর ক্ষোভ উগড়ে পড়ে নাগরিকদের। তারা স্থায়ী মীমাংসার জন্য আল-বশিরের পদত্যাগ দাবি করে। জনগণের বিক্ষোভের চাপের মুখে পড়ে দীর্ঘদিনের শাসক ওমর আল-বশির ক্ষমতা ছেড়ে সরে দাঁড়ান।

ক্ষমতা চলে যায় সামরিক কাউন্সিলের হাতে। সেখানে কাউন্সিল বশির ঘনিষ্ট নেতাকে সরিয়ে দেয়। তা নিয়ে বিক্ষোভ চরমে ওঠে। দাবি উঠতে থাকে চটজলদি বেসামরিক সরকার গড়ে সুদানের মুদ্রাস্ফীতিকে নিয়ন্ত্রন করার।

তাতে আশ্বাস মিললে আশারবাণী শোনাতে পারছিল না কাউন্সিল। তাতে বিশৃঙ্খলা চরমে ওঠে। সেনা সদস্যরা নিজেদের হাতেই বেশিভাগ ক্ষমতা রাখার পক্ষে মত দিতে থাকে। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা এতে রাজি না হওয়ায় রাজনৈতিক সংকট চরমে উঠে।বিক্ষোভকারীদের দাবি,গত ৩ জুন সবচেয়ে বেশি উত্তেজনা ছড়িয়ে ছিল। সেই সময় শতাধিক মানুষ নিহত হন।আহত হন বহু।ইথিওপিয়া ও আফ্রিকান ইউনিয়নের দূতের মধ্যস্থতায় তাদের মধ্যে বুধবার সর্বশেষ দফার আলোচনা হয়।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only