সোমবার, ২৯ জুলাই, ২০১৯

বিজেপিতে ইমরান! ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়

চেষ্টা করলে গল্পের গরু হয়তো গাছে ওঠানো যায়। কিন্তু তা বলে বিজেপিতে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান! সোশ্যাল সাইটে দিনভর ঘুরে বেড়ালো বিজেপিতে ইমরানের সদস্যপদ গ্রহণের ছবি। যেভাবে বিজেপি সদস্যদের ছবি অনলাইনে দেখা যায় ঠিক সেইভাবেই দেখা যাচ্ছে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ছবি। এই কাণ্ড নিয়ে মশকরা শুরু হয়েছে সোশ্যাল সাইটে। তড়িঘড়ি তদন্তে নামে পুলিশ।
অতি তৎপরতায় পুলিশ ধরে ফেলে মূলচক্রী আহমদাবাদের বাসিন্দা গুলাম ফরিদ সেখকে। তাঁর মোবাইল থেকেই ছবিগুলি প্রথম আপলোড হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। তারপর বিভিন্ন গ্র&প মারফত ইমরানের খানের ছবি ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল সাইটে। অভিযুক্ত সম্পর্কে পুলিশ জানিয়েছেন– এর পিছনে কোনও অসৎ অভিসন্ধি ছিল না। মজা করার জন্য এই কাজ করেছেন তিনি। নিজেকেও বিজেপি সদস্য বলে তিনি ছবি আপলোড করেছেন সোশ্যাল সাইটে। বিজেপি নেতারা অবশ্য এই রসিকতা হজম করতে পারেননি। তাদের বক্তব্য বিজেপিকে বদনাম করার জন্যই সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন ছবি পোস্ট করেছেন ফরিদ। কেবল পাক প্রধানমন্ত্রী নন– ধর্ষণে অভিযুক্ত আশারাম বাবু এবং গুরমিত রামরহিমেরও জাল ছবি বানিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেটে। ফরিদের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। এমনিতেই পাক তখতে ইমরান খানের আগমনকে ভালোভাবে নেয়নি গেরুয়া শিবির। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্টÉ থেকে খোশমেজাজে ফিরেছেন ইমরান। ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর উপর যে সন্তুষ্ট– অর্থসাহায্য করে সেকথা বুঝিয়ে দিয়েছেন। তাঁর সামনে ট্রাম্প বলেন– নরেন্দ্র মোদি তাঁকে কাশ্মীর বিষয়ে মধ্যস্থতা করতে বলেছেন। যা নিয়ে তোলপাড় হয় গোটা দেশ। পাকিস্তান বরাবরই চাইছে তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতায় সমাধান হোক কাশ্মীর সমস্যার। সিমলা চুক্তি অনুযায়ী ভারত বরাবরই তা খারিজ করে দিয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন বেফাঁস মন্তব্যে অস্বস্তিতে পড়েন নরেন্দ্র মোদি। তবে– সৌজন্যের কারণে প্রকাশ্যে তিনি বলতে পারেননি যে ট্রাম্প মিথ্যা কথা বলছেন। বিরোধীরা সংসদে বারবার দাবি করে– এর জবাব দিন মোদি। পরিষ্কার বলুন যে– তাঁর সঙ্গে ট্রাম্পের কাশ্মীর বিষয়ে কোনও কথা হয়নি। আর ট্রাম্প কাশ্মীর নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only