মঙ্গলবার, ৯ জুলাই, ২০১৯

ইউপিএ জমানায় ঋণ মকুবে কৃষক আত্মহত্যা কমেনি, যুক্তি কেন্দ্রের

ঋণের দায়ে জর্জরিত হয়ে কৃষক আত্মহত্যার ঘটনা দেশজুড়ে ঘটেই চলেছে। লোকসভা ভোটের প্রচারে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি এই ইস্যুটিকে হাতিয়ার করে জোর প্রচার চালিয়েছিলেন। কেন্দ্রের মোদি সরকারের কাছে কৃষকদের ঋণ মকুবের জোরালো দাবি জানিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, বেশকিছু রাজ্যে কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর কৃষি ঋণ মকুব করার কথা ঘোষণাও করে তারা। কিন্তু– কেন্দ্র যে সেই পথে হাঁটবে না তা আরও একবার কার্যত স্পষ্ট হয়ে গেল। ঋণ মকুব না করা নিয়ে কেন্দ্রের যুক্তি– ইউপিএ আমলে এমনটা করেও কৃষক আত্মহত্যা কমানো যাযনি। বরং বেড়েছিল। মঙ্গলবার সংসদে কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী পুরুষোত্তম র*পালা বলেন, ২০০৮ সালে তৎকালীন কেন্দ্রের ইউপিএ সরকার কৃষকদের ঋণ মকুব করার কথা ঘোষণা করেছিল। কিন্তু– তারপরও কৃষক আত্মহত্যার ঘটনা বেড়েছিল। এরপরই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ইউপিএ সরকারের মেগা ঋণ মকুবের স্কিম ঘোষণার পর একটি অডিট করা হয়– সেই রিপোর্টে দেখা যায় যারা কৃষক নয় এমন বহু মানুষের ঋণও মকুব হয়েছে। এদিন জিরো আওয়ারে প্রশ্নোত্তর পর্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ইউপিএ আমলে ৭০ হাজার কোটি টাকা ঋণ মকুবের স্কিম ঘোষণা হওয়ার পরও কৃষক আত্মহত্যা বেড়েছিল। অর্থাৎ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কার্যত ঘোষণাই করে দিলেন, তাঁরা মনে করেন না ঋণ মকুব করে কৃষক আত্মহত্যা ঠেকানো যাবে। অর্থাৎ, এখনই যে দ্বিতীয় মোদি সরকার কৃষি ঋণ মকুবের পথে হাঁটবে না তাও স্পষ্ট হয়ে গেল। কৃষক আত্মহত্যা কমাতে সুপ্রিম কোর্ট কোনও জাতীয় পরিকল্পনা র*পায়ন করার পরামর্শ দিয়েছে কিনা সেই সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার বলেন, ২০১৭ সালের ৬ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট তার রায়ে বলেছিল এই সমস্যা রাতারাতি মেটানো সম্ভব নয়। সবথেকে ভাল হবে অ্যাটর্নি জেনারেলের উচিত কিছুটা সময় চেয়ে নেওয়া যাতে যথাযথভাবে স্কিম কার্যকরী করা যায়।      

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only