শনিবার, ৩ আগস্ট, ২০১৯

বছর শেষে নতুন সন্ত্রাসী হামলার সতর্কতা!



সন্ত্রাসবাদ নিয়ে সিঁদুরে মেঘ দেখছে রাষ্ট্রসংঘ।তাদের দাবি, বছর শেষে নতুন ভাবে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হতে পারে গোটা বিশ্ব।এই নিয়ে আশঙ্কার প্রকাশ করে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা।

তাদের এই রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বে আতঙ্কে বাতারণ কায়েম রাখতে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএস ফের নতুন করে শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। বলা হচ্ছে, ইতিমধ্যে আইএসসহ অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠীতে যোগ দেওয়া জন্য যে দশ হাজার জন নিজ দেশ থেকে অন্যান্য দেশে পাড়ি দিয়ে ছিল, তারা এখনও জীবিত রয়েছে।

রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সারা বিশ্বে সন্ত্রাসী হামলা হ্রাস পেলেও,সন্ত্রাসবাদ এখনও চলছে। ফলে সারা বিশ্বের জন্য এটাকে অশনি সংকেত বয়ে নিয়ে আসছে বলে মনে করছেন তারা। প্রায় ৩০ হাজার বিদেশি আইএস গোষ্ঠীতে যোগ দেওয়ার জন্য ইরাক অথবা সিরিয়াতে পাড়ি দিয়েছে। ফলে বোঝাই যাচ্ছে যে এই সমস্ত অঞ্চলে আইএস-এর সন্ত্রাস এখনও খতম হয়নি।

রিপোর্টে তারা আরও তা দাবি করেন, ২০১৪ সালে ইউরোপ থেকে বহু সন্ত্রাসী আইএস সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ছিল। সেই সময় থেকে ইরাক এবং সিরিয়াতে আইএস বিধ্বংসী হয়ে উঠে ছিল। ইউরোপীয় দেশগুলি অনুমান করে যে প্রায় ৬ হাজার মানুষ সেইসময় আবর বিশ্বের এই দুই দেশে যাতায়াত শুরু করে। তাদের মধ্যে বেশ কিছুজন নিহত হয়েছে। বাকিরা আটক হয়েছিল বা অন্য কোথাও আত্মগোপন করে ছিল।

তবে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীতে সদস্য নিয়োগের প্রক্রিয়া চলাতে থাকায় বিশ্বের কাছে হুমকির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ, আল-কায়েদ মত বড় গোষ্ঠীগুলি এতে আরোও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। তাই, আইএসের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য যে সমস্ত নাগরিক পাড়ি দিয়ে ছিল, তাদের আর ফেরত নিতে অস্বীকার করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অধীনস্থ দেশ। তাদের মতে, এতে জাতীয় নিরপত্তা হুমকিতে পড়বে।

সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএস-এ যোগ দেওয়া মানুষকে মাফ করে তাদের ফিরিয়ে নেওয়া ব্যাপারে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই সমস্ত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্যদের দেশে না ফেরানো জন্য তিনি আহ্বান করেছেন ইউরোপীয় দেশগুলিকে। তার মধ্যে প্রায় আড়াই হাজার জঙ্গি সিরিয়া এবং ইরাকে রয়েছে। তারা খুব শীঘ্রই ইউরোপে মাটিতে বিচরণ করবে।তাই খুব সন্ত্রাসী সদস্যদের 'ঘর ওয়াপাসি' করানোর ক্ষেত্রে খুব সাবধানী পদক্ষেপ নেওয়া জন্য ইউরোপীয় দেশগুলিকে আহ্বান জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইতিমধ্যে, জার্মানী এ ধরণের এক হাজার নাগরিককে ফিরিয়ে নিলেও, ফ্রান্স এখনও ১৩০ জন এমন নাগরিককে ফিরিয়ে নেয়নি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only