মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট, ২০১৯

মাড়গ্রামে দ্বারকা নদীর উপর সেতু নির্মাণের চিঠি, খুশির হাওয়া মাড়গ্রামে

দেবশ্রী মজুমদার, রামপুরহাট, ২০ আগস্ট:  এলাকাবাসীর দীর্ঘ দিনের ইচ্ছেপূরণ হতে চলেছে। বীরভূম জেলা শাসক মৌমিতা গোদারা জানান, হাঁসন বিধায়ক এলাকায় রাজ্যসভার সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য্যের এম পি ল্যাডের টাকায় দ্বারকা নদীর উপর মাড়গ্রামের মাদারতলা ঘাট থেকে তারাপীঠ যাওয়ার ফুট ব্রীজ তৈরী হবে।  ব্যয় বরাদ্দ ৮০ লক্ষ টাকা। এর ফলে দীর্ঘদিনের চাহিদা মিটতে চলেছে মানুষের। দ্বারকানদীর উপর সেতু নির্মাণের অনুমোদন মেলায় খুশি এলাকার মানুষ। খুব শীঘ্রই সেতু নির্মাণ হবে বলে জানান এলাকার বিধায়ক মিল্টন রশিদ। এব্যাপারে জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিকাশ রায় চৌধুরী বলেন, ওই এলাকায় আমরা ভাংরা সেতু করেছি। গোটা জেলা জুড়ে কাজ চলছে।  

২৫ বছর এলাকায় কংগ্রেস বিধায়ক থাকা সত্বেও, কোন সুরাহা মেলেনি এলাকাবাসীদের। এবার সেখানেই আরেক কংগ্রেস বিধায়কের হাত ধরে পরিত্রাণ পেল এলাকাবাসী, মত অনেকের। ২০১৬ সালে নদী চলো আন্দোলন করেছিলেন মিল্টন রসিদ। এলাকাবাসীদের সাথে নিয়েই  নদী বক্ষ থেকেই জেলাশাসককে ফ্যাক্স করেছিলেন তিনি। কখনও নদীতে ফুটবল আবার কখন বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এক নাগাড়ে এই আন্দোলন চালিয়েছেন তিনি। এই আন্দোলনের সময় আরেক প্রাক্তন নেতা অভিজিৎ মণিকেও দেখা গেছিল এই আন্দোলনের সাথে। বীরভূমের মাড়গ্রাম থানার পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে দ্বারকা নদী। বাতিনা, লাহা, ললিতাকুন্ড সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষকে ওই নদী পারাপার করতে হয়। বর্ষায় নদী ফুলেফেঁপে ওঠে। ফলে মাড়গ্রাম কিংবা রামপুরহাট শহরের সঙ্গে গ্রামবাসীদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। গৃহবন্দী পড়েন কয়েক হাজার মানুষ। তাছাড়া ওই নদীর উপর সেতু নির্মাণ হলে এলাকার সঙ্গে সিদ্ধপীঠ তারাপীঠের যোগাযোগ সহজ হবে।

 বীরভূমের মাড়গ্রামকে তারাপীঠের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে দ্বারকা নদী। ফলে মাড়গ্রামের বাসিন্দাদের তারাপীঠ যেতে হয় রামপুরহাট দিয়ে। ফলে প্রায় ১৫ কিলোমিটার পথ বেশি ঘুরতে হয়। সেই সমস্যা মেটাতে এলাকার মানুষ বহু জায়গায় আবেদন করেছেন। গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে হাঁসন কেন্দ্রের বিধায়ক মিল্টন রশিদ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন জয়ী হলে গড়বেন ওই সেতু।  জানা গেছে,  তার প্রচেষ্টায় নিজের বিধায়ক এলাকা উন্নয়ন তহবিল থেকে এবং রাজ্য সভার সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য, অভিষেক মনু সিংভি, গোলাম নবি আমজাদের আজাদের আর্থিক সাহাজ্যে ৮০ লক্ষ টাকা বয়ে ওই ফুটব্রিজ নির্মাণ হবে। তিনি  বলেন, “এই সেতু নির্মাণ হলে কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে রামপুরহাটের যোগাযোগ সুগম হবে। তেমনি মাড়গ্রামের সঙ্গে তারাপীঠের যোগাযোগ সুগম হবে”। জেলা শাসক মৌমিতা গোদারা বলেন, “আমাদের আধিকারিকরা এলাকা পরিদর্শন করবেন। বীরভূম হাইওয়ে ডিভিশনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারাই সেতু নির্মাণে তদারকি করবেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only