সোমবার, ১২ আগস্ট, ২০১৯

উৎসর্গের উৎসব "ঈদ-উল-আযহা"র তাৎপর্যগত বৈশিষ্ট্য

হযরত ইব্রাহিম (আ.)এর নিজের প্রাণাধিক পুত্র ইসমাইল (আ.)কে আল্লাহর রাহে কোরবানির সর্বোচ্চ ত্যাগ-স্বীকারের স্মরণে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার উৎসব পালিত হয় মুসলিম বিশ্বে। এই উৎসবকে ভারতীয় উপমহাদেশে ‘বকরি ঈদ’ (বকর-ই-ঈদ) এবং ব্যবহারিক অর্থে ‘কোরবানির ঈদ’ও বলা হয়। বকরি ঈদ বলার কারণ, এই ঈদে খাশি কোরবানি করা হয় আবার ‘বাকারা’ বা গরু কোরবানির ঈদ হিসেবেও ভাবা হয়। আরবি পরিভাষায় এই ঈদকে বলা হয় ‘ঈদ-উল-আযহা’ বা আত্মত্যাগ বা উৎসর্গের উৎসব।
সুতরাং ঈদ-উল-আযহার তাৎপর্যগত বৈশিষ্ট্য বিচারে এই উৎসব পালনে গরু বা পালিত পশু খোদার সন্তুষ্টির জন্য উৎসর্গ বা কোরবানি করা। আর এই কোরবানির আগে পবিত্র হজ্ব পালনের প্রসঙ্গটিও স্বতঃসিদ্ধভাবে এ উৎসবের সঙ্গে এসে সংযুক্ত হয়। ঈদ-উল-আযহার এই উৎসব হজ্ব পালন ও পশু কোরবানিসূত্রে সমাজ ও অর্থনীতিতে বিশেষ তাৎপর্যবাহী প্রভাব ও কর্মচাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only