বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

ভেঙে পড়েছে বিশ্বের প্রাচীনতম পার্লামেন্ট



বিশ্বের প্রাচীনতম আইনসভা হিসাবে ব্রিটেনের পার্লামেন্টকেই বোঝানো হয়। এটিকে 'মাদার অফ অল পার্লামেন্টস' বা বিশ্বের সকল পার্লামেন্টের জননী হিসাবে দেখা হয়।গত কয়েকদিনে ভেঙে পড়েছে এই প্রাচীনতম আইনসভা।
নয়া ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তার নিজ দলের ২১ জন এমপিকে বহিষ্কার করেছেন। অভিযোগ ছিল এইড় এমপিরা পার্লামেন্টের নিয়ন্ত্রন বরিস জনসনের কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে ছিলেন। জনসনের সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।বিগত কয়েকদিনে ব্রিটিশ রাজনীতি পুরোপুরি বদলে গিয়েছে।তাই, এখন ব্রিটিশ নাগরিকদের চোখ এখন টিভির পর্দায় রয়েছে। পার্লামেন্টের অধিবেশন এখন ব্রিটিশদের আগ্রহের বিষয়।
ব্রিটিশ রাজনীতি সবসময়ই পার্লামেন্টেরিয়ান ভদ্রতাকে শ্রদ্ধ করে। কিন্তু বরিস প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় আসার পর সমস্ত ছক উলটে গিয়েছে। বরিস তার সরকারের অধীনে প্রথম ভোটাভুটিতেই হেরেছেন। আধুনিক রাজনীতিতে এ ঘটনা নজিরবিহীন। জনসনের বিরোধীতা করেছেন ফাদার অফ দ্য হাউজ বলে পরিচিত কনজারভেটিভ দলের সদস্য কেনেথ ক্লার্ক। তার রাজনৈতিক বয়স বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত অধিকাংশ এমপির বয়সের চেয়ে বেশি। ক্লার্ক যখন প্রথম এমপি হন তখনও বরিস জন্মাননি। উইন্সটন চার্চিলের নাতি নিকোলাস সোয়ম্পস, অর্থমন্ত্রী ফিলিপ হ্যামন্ড এদের সবাই দল থেকে বহিস্কৃত হয়েছেন।দলের প্রতি এদের ত্যাগ, বরিসের চেয়ে অনেক বেশি। এখন প্রশ্ন উঠেছে ব্রিটিশ রাজনীতিতে এর ভূমিকা বরিস কথা সংরক্ষণ করেন।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only