বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

Article 15-র প্রশ্ন এবার সুপ্রিম কোর্টে,জাতপাত কতটা কমেছে দেশে, ম্যানহোলে মানুষ মরছে কেন?

অার্টিকল ১৫। সাম্প্রতিক সময়ে সাড়া জাগানো একটি হিন্দি সিনেমা। সেই ছবিতে দেখানো হয়েছে কীভাবে অস্পূশ্যতার নামে এখনও এই দেশে 'নিচুশ্রেণি'র মানুষদের ছোঁয়াচ এড়িয়ে চলা হয়। অথচ ওরা যদি আমাদের নর্দমা পরিষ্কার না করে তবে ড্রেন উপচে পড়ে চারপাশ অপরিষ্কার করে দেয়। সেই নর্দমা সাফকারীদের সুবিধার কথা আমরা ভাবি না। তাদেরকে পাঠিয়ে দিই গ্যাস চেম্বারে। দেশে এখনও চলছে মানুষ দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করার কাজ।
বিশ্বের কোথাও মানুষকে মরার জন্য গ্যাস চেম্বারে পাঠানো হয় না। ম্যানহোল পরিষ্কারের কাজ করতে গিয়ে সাফাইকর্মীদের মৃত্যুর ঘটনায় তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। ভারতের নানা প্রান্তে ম্যানহোল বা নর্দমা পরিষ্কার করতে গিয়ে মৃত্যু হয় সাফাইকর্মীর। প্রতি মাসেই এই সংখ্যাটা প্রায় ৪ থেকে ৫ জন।

এই প্রেক্ষিতে বুধবার সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, স্বাধীনতার ৭০ বছর পরেও ভারতে জাতপাতের বিদ্বেষ বহাল তবিয়তে রয়েছে। কোনও নিরাপত্তা ছাড়া নর্দমা সাফাইয়ের জন্য বিশ্বের আর কোনও দেশে মানুষকে কি কাজে পাঠানো হয়?

বুধবার এসসি,এসটি অ্যাক্ট সংক্রান্ত একটি শুনানিতে কেন্দ্রের তরফে শীর্ষ আদালতে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেনুগোপাল। তাঁর কাছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অরুণ মিশ্রের বেঞ্চের প্রশ্ন, কেন অক্সিজেন সিলিন্ডার, মাস্ক বা অন্যান্য নিরাপত্তাজনিত ব্যবস্থা ছাড়াই সাফাই কর্মীদের কাজ করতে পাঠানো হয়? কেন সরকারের তরফে কোনও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় না? সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অরুণ মিশ্র, এমআর শাহ ও বিচারপতি বি আর গাভাইয়ের ডিভিশন বেঞ্চ বলে, প্রতি মাসেই অন্তত ৫ টা করে খবর পাওয়া যায় যে, ম্যানহোল বা নালা সাফ করতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে সাফাই কর্মীর। অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে ভেনুগোপাল বলেন, যে সুপারভাইজারি অফিসার বা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এ ধরণের কাজ হয়, তাদের দায়বদ্ধ থাকা উচিত।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only