বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

হেলমেট নেই, তবুও আরোহীকে জরিমানা করতে পারল না পুলিশ!


বিশেষ প্রতিবেদক: কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন মোটর ভেইকেলস আইন যে সব রাজ্যে লাগু হয়েছে। সেখানে বেজায় মুশকিলে পড়েছেন ট্রাফিক আইন না মানা চালকরা। মোটা টাকার জরিমানা গুনতে হচ্ছে সেক্ষেত্রে। বিশেষ করে হেলমেট মাথায় না দিয়ে যাঁরা বাইক চালাচ্ছেন, তাঁদের এখন শিরে সংক্রান্তি। শিরস্ত্রাণ ছাড়া মোটর সাইকেল নিয়ে রাস্তায় বেরোলেই পড়তে হচ্ছে পুলিশের খপ্পরে। আর গুনতে হচ্ছে ৫০০ টাকা জরিমানা। দেশের অন্যান্য কয়েকটি রাজ্যের সঙ্গে এখন ট্রাফিক আইন নিয়ে কড়াকড়ি শুরু করেছে গুজরাত পুলিশও। শহর হোক বা গ্রাম, জাতীয় সড়ক হোক বা রাজ্য সড়ক---হেলমেটবিহীন বাইক আরোহীদের নিস্তার নেই। ইতিমধ্যে বিপুল পরিমাণে জরিমানার টাকাও আদায় করে ফেলেছে গুজরাতের ট্রাফিক পুলিশ। কিন্তু ফল ব্যবসায়ী জাকির মামুন সারাজীবনে কোনওদিন হেলমেট পরেননি। বাড়ি থেকে দোকান কিংবা ফলপট্টি---যেখানেই যান না কেন, বাইকই তাঁর বাহন। হেলমেট পরার অভ্যাসও নেই তাঁর। ফলে দুশ্চিন্তায় ছিলেন জাকির মামুনের পরিবারের লোকজন। কিন্তু না, জাকিরকে হেলমেট পরা থেকে অব্যাহতি দিল গুজরাত পুলিশ। হেলমেট ছাড়াই তিনি বাইক চালাতে পারবেন। নিয়ম না মেনেও পার পেয়ে গেলেন তিনি।
কিন্তু কেন?
গুজরাতের ছোটা উদেপুর জেলার বোদেলি শহরের বাসিন্দা জাকির মামুন। ১ সেপ্টেম্বর থেকে জারি হওয়া নতুন মোটর ভেইকেলস আইন নিয়ে বেশ চিন্তায় ছিলেন। কখন ধরা পড়তে হয় পুলিশের হাতে। হলও তাই। পুলিশ তাঁকে আটকে জানতে চান, হেলমেট নেই কেন? জরিমানা দিন। জাকির সবিনয়ে পুলিশকে জানান, তিনি আইন মেনেই চলেন। কিন্তু তাঁর মাথা ঢাকার মতো কোনও হেলমেট বাজার চষেও খুঁজে পাননি। জাকিরের কথা বিশ্বাস করেনি পুলিশ। পরীক্ষা করার জন্য আনা হয় সবচাইতে বড় সাইজের হেলমেট। না, ঢুকছে না। চলে আসেন পুলিশ আধিকারিকও। তাঁরাও অবাক চোখে দেখেন, জাকির মামুনের মাথাটা এতটাই বড় যে বাজারে চলতি কোনও হেলমেটই তাঁর মাথা দিয়ে গলানো যাবে না। এরপর পুলিশের আর কিছুই করণীয় নেই। তাঁকে হেলমেট ছাড়াই পথে বেরোনোর ছাড়পত্র দিতে বাধ্য হন বোদেলি শহরের ট্রাফিক বিভাগ। এখন দেখানোর কোনও হেলমেট প্রস্তুতকারী সংস্থা দেশের বৃহত্তম হেলমেট বানিয়ে জাকির মামুনকে উপর দেয় কিনা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only