রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

হালাল মাংস রাখার কথা জানিয়ে বিতর্কে ম্যাকডোনাল্ডস

জোম্যাটোর পর এবার ম্যাকডোনাল্ডস। ফের খাদ্যের ধর্মবিচার নিয়ে বিতর্ক।
হালাল মাংস রাখার কথা স্বীকার করে হিন্দুদের একাংশের তোপের মুখে মার্কিন ফুড রিটেল চেইন সংস্থা ‘ম্যাকডোনাল্ডস’। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ভারতে ব্যবসা করছে তারা। এতদিন তাদের এই ধরনের কোনও বিতর্কের মুখে পড়তে হয়নি। এই প্রথম তাদের এই ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়তে হল। ভারতে কেন তারা হালাল মাংস পরিবেশন করবে? সোশ্যাল মিডিয়ায় এই প্রশ্ন তুলে বিদ্ধ করা হল ম্যাকডোনাল্ডসকে।
এক ব্যক্তি সম্প্রতি ম্যাকডোনাল্ডসকে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন করেছিলেন– তাদের হালাল সংশাপত্র রয়েছে কিনা? জবাবে ম্যাকডোনাল্ডস জানায়– তাদের সবক’টি রেস্তোরাঁর হালাল সংশাপত্র রয়েছে। একইসঙ্গে তারা জানায়– তারা যে মাংস সরবরাহ করে তা সর্বোচ্চ মানের। সরকার অনুমোদিত কসাইখানা থেকেই তারা তা সংগ্রহ করে। এরপরই একের পর এক সমালোচনা ধেয়ে আসে এই সংস্থার বিরুদ্ধে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া সমালোচনার মুখে পড়তে হয় এই মার্কিন ফুড চেইনকে। হিন্দুপ্রধান ভারতে কেন হালাল মাংস পরিবেশন করা হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। কেউ কেউ আবার খাদ্যের জাতবিচার নিয়েও সরব হয়েছেন। অনেক হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন– তাঁরা হালাল মাংস খাবেন না। শুধু তাই নয়– সোশ্যাল মিডিয়ায় ম্যাকডোনাল্ডসকে বয়কট করার ডাক দিয়ে হ্যাশট্যাগও তৈরি হয়েছে। সেখানে নেটিজেনদের একাংশ প্রশ্ন তুলেছে– তাহলে কি হিন্দুরা ম্যাকডোনাল্ডসে আর কখনও খেতে পারবে না? ম্যাকডোনাল্ডসের কাছে জানতে চাওয়া হয়– ভারতের মতো ৮০ শতাংশ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের দেশে ম্যাকডোনাল্ডস কীভাবে হালাল মাংস বিক্রি করে? উল্লেখ্য– এর আগে হোমডেলিভারি সংস্থা জোম্যাটোকেও এই ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল। মুসলিম ডেলিভারি বয়ের থেকে খাবার নিতে অস্বীকার করেছিলেন এক গ্রাহক। তা নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল। সেইসময় জোম্যাটো কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়ে জানায়– খাবারের কোনও ধর্ম হয় না। খাবার নিজেই ধর্ম। জোম্যাটো কর্তৃপক্ষের এই জবাব সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসা পায়। যদিও সেইসময় কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছিলেন– তাহলে অনেক রেস্টুরেন্টে হালাল মাংস লেখা থাকে কেন?    

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only