শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

মন্দিরে পশু বলি নিষিদ্ধ করল ত্রিপুরা হাইকোর্ট

ধর্মের নামে পশু বলি আর দেওয়া যাবে না। এমনই নির্দেশ দিল ত্রিপুরা হাইকোর্ট। রাজ্যের কোনও মন্দিরে রাজ্য সরকার চাইলেও আর পাখি বা পশু বলি দিতে পারবে না। 
অবসরপ্রাপ্ত জেলা দায়রা বিচারক সুভাষ ভট্টাচার্য-র একটি জনস্বার্থ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই রায় দিল ত্রিপুরা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতি সঞ্জয় কারোল ও বিচারপতি অরিন্দম লোধের ডিভিশন বেঞ্চ এদিন জানায়, পশু পাখিদেরও বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। কোনও মানুষ এমনকী রাজ্য সরকার চাইলেও কোনও পাখি বা পশুকে রাজ্যের মন্দির চত্বরে আর বলি দিতে পারবেন না। পাশাপাশি এই নির্দেশ অতিদ্রুত কার্যকর করার জন্য জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। রাজ্যের মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে– ত্রিপুরার ২টি বড়ো মন্দিরে সিসিটিভি বসানোর। রাজ্যের ২টি বড়ো মন্দির অর্থাৎ দেবী ত্রিপুরেশ্বরী মন্দির ও চতুরদাস দেবতা মন্দিরে সব থেকে বেশি পশুবলি হয়ে থাকে। এরপর প্রতি মাসের সিসিটিভি ফুটেজের সেই রেকর্ডিং -এর সফট কপি পাঠাতে হবে মুখ্যসচিবকে। এমনই নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। 

অন্যদিকে মামলার শুনানিতে রাজ্যের তরফে বলি বন্ধ না করার আবেদন জানানো হয়। রাজ্যের তরফে আইনজীবী যুক্তি দেন– বহু বছর ধরে এই প্রথা চলে আসছে। মামলাকারী সুভাষ ভট্টাচার্য-র তরফে পাল্টা যুক্তি দেওয়া হয়– হিন্দু ধর্মে কোথাও লেখা নেই যে– বলি না হলে পুজো হবে না। তাঁর সেই যুক্তি মেনে নিয়ে ওই নির্দেশ দেয় ত্রিপুরা হাইকোর্ট।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only