বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

চন্দ্রযান-২ নিয়ে ইসরোকে বার্তা ‘রজনীকান্তের’

বিক্রম ল্যান্ডারের খোঁজ না দেওয়া পর্যন্ত সেতুর স্তম্ভের মাথা থেকে নামব না

প্রয়াগরাজ, ১৮ সেপ্টেম্বর: চন্দ্রযান-২ নিয়ে দেশজুড়ে উন্মাদনার শেষ ছিল না। অনেক প্রত্যাশা নিয়ে গত ৭ সেপ্টেম্বর রাত আড়াইটা নাগাদ চাঁদের মাটি ছোঁয়ার কথা ছিল। কিন্তু চাঁদের মাটিতে প্রবেশের কিছু আগেই চন্দ্রযানের বিক্রম ল্যান্ডারের সঙ্গে ইসরোর গ্রাউন্ড কন্ট্রোল রুমের  যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হিসেবে ইসরোতে হাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। শুধু তিনি একাই নন, দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে বাছাই করা পড়ুয়অদের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল চাঁদে প্রবেশ করার মুহূর্তের ছবি প্রত্যক্ষ করা। ল্যান্ডার বিক্রমের আর কোনো খোঁজ না পাওয়া গেলেও তারপর থেকে এখনো নজর রাখছে ইসরো। যদিও এখনো কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া বিক্রম নামের ল্যান্ডারটির কোনও হদিশ পায়নি ইসরো। ইসরো এখনো আশা ছাড়েনি। তাই বিক্রমের সন্ধানে এখনো লেগেপড়ে রয়েছে, যাতে চন্দ্রযান ২–এর ল্যান্ডার বিক্রমের কোনো হদিশ পাওয়া যায়।
ইসরো প্রাণপণ চেষ্টা চালালেো হতাশ হয়ে পড়েছেন এক গেরুয়া বলয়ের এক বিজ্ঞানপ্রেমী। রজনীকান্ত নামে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের মাণ্ডার বাসিন্দা হতাশ হয়ে সোমবার রাতে উঠে পড়েছেন একটি সেতুর মাথায়। সোমবার রাতে রজনীকান্ত সেতুর স্তম্ভ বেয়ে উপরে ওঠে। তারপর সে একটা জাতীয় পতাকা ওই স্তম্ভের মাথায় লাগিয়ে দেয়। পতাকা লাগিয়ে দিয়েই ক্ষান্ত হনন রজনীকান্ত। একেবারে রজনীকান্তের মতো ফিল্মি কায়দায় দাবি জানাতে থাকেন, যতদিন না ইসরো চন্দ্রযান-২ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া বিক্রম ল্যান্ডারে কোনো হদিশ পাচ্ছে ততদিন পর্যন্ত তিনি নীচে নামবেন না।রজনীকান্তের এই দাবিকে ঘিরে এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়। একেএকে মানুষ ভিড় জমাতে থাকে সেতুর কাছে। তারা এক নজরে দেখতে উৎসুক হয়ে পড়েন সেতুর স্তম্ভের মাথায় চড়ে বসা রজনীকান্তকে। তবে, বিক্রম ল্যান্ডারকে খুঁজে পাওয়ার ব্যাপারে রজনীকান্তের দাবির কথা ইসরোতে পৌঁছে গেছে কিনা তা অবশ্য জানা যায়নি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only