রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

আদিবাসী তরুণীর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার! চাঞ্চল্য ছড়ালো এলাকায়

কৌশিক সালুই, বীরভূম, ৮ সেপ্টেম্বর:- এক আদিবাসী তরুণীর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার বীরভূমের সাঁইথিয়া থানার দৈকোটা গ্রামে। পরিবারের পক্ষ থেকে খুনের দাবি করা হয়েছে। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে মৃত তরুণী মহারানী মুর্মু বয়স ২১ বছর। রবিবার সকালে তাদের বাংলা আবাস যোজনা নির্মীয়মাণ বাড়ি থেকে তার রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তরুনীর পরিবারের দাবি এদিন ভোর বেলায় প্রাতঃকর্ম করতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে ছিল। বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করে। তাদের নির্মীয়মান বাড়িতে যেতেই মহারানীর রক্তাক্ত নিথর দেহ মেঝেতে পড়ে আছে, পরনের লেগিংস গলাতে জড়ানো এবং মুখে কোন ভারী বস্তু দিয়ে আঘাত করার দাগ। ওই বাড়িটি নির্জন জায়গায় চারিদিকে মাঠ জনবসতি বেশ দূরে। ওই তরুণীর পরনে লেগিংস দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করেছে আততায়ী বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। তবে খুনের কারণ নিয়ে ধন্দে পুলিশ পরিবার থেকে এলাকাবাসী। প্রতিবেশীদের অনেকের দাবি ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে হয়ত খুন করা হয়েছে ওই তরুণীকে। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্ট এই পরিষ্কার হয়ে যাবে সেই বিষয়টি। বাবা কবিরাজ মূর্মু এবং মা সুন্দরী মূর্মু দুজনেই কৃষি শ্রমিক। বড় মেয়ের আগেই বিয়ে হয়ে গিয়েছে মহারানী হল ছোট সন্তান। ঘটনার খবর পেয়ে সাঁইথিয়া থানা পুলিশের মৃতদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠায়। মা সুন্দরী মুর্মু বলেন, মেয়ে ভোরবেলাতে উঠে বলল প্রাতঃকর্ম করতে যাচ্ছি। ভোর পেরিয়ে সকাল গড়িয়ে যাওয়াই মেয়েকে খুঁজতে বেরিয়ে যায় এবং আমাদের যে নতুন বাড়ি তৈরি হচ্ছে সেখানে গিয়ে তার মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখি"। বীরভূম জেলা পুলিশ সুপার শ্যাম সিং বলেন, "এক তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে সাঁইথিয়া থানার পুলিশ কিভাবে এবং কি কারণে মারা হয়েছে সেটা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে"।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only