শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

মুরসিপুত্রের ইন্তেকাল, 'রহস্যজনক' বলছে মুসলিম ব্রাদারহুড


কয়েকমাস আগে মিশরে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ মুরসির ইন্তেকাল করে ছিলেন।এবার আরও একটি শোকের মুখে মুরসি পরিবার। বুধবার রাতে মুরসির কনিষ্ঠ পুত্র বছর ২৫-এর আবদুল্লাহ মুরসির ইন্তেকাল করেছেন। মুসলিম ব্রাদারহুড ঘটনা নিশ্চিত করেছে।জানা গিয়েছে, কঠোর নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা বজায় রেখে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আব্বার মৃত্যুর দুই মাস পর তাঁর আকস্মিক ইন্তেকালে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। তাঁর মৃত্যুকে 'রহস্যজনক' বলে ব্যখ্যা করেছে মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতারা।

গত ১৭ জুন মামলা চলার সময় হঠাৎ আদালত চত্বরে মুসলিম ব্রাডারহুডের এই জনপ্রিয় নেতা ইন্তেকাল করেন। মিশরে সরকার দাবি করে ছিল, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছে মুরসি মৃত্যু হয়ে ছিল। এবার তাঁর ছেলের ক্ষেত্রে একই কারণ দেখানো হয়েছে। ইসরাইল ও আমেরিকা তাঁবেদার মিশরের আল-সিসি সরকার এত দিন কারাগারে মুরসির প্রতি জুলুম চালিয়ে গিয়েছে।নূন্যতম চিকিৎসা সুবিধা ব্যবস্থা না করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে। মুরসির ইন্তেকালের পর আবদুল্লাহ মুরসি দাবি করে ছিলেন, তাঁর আব্বাকে একপ্রকার খুন করা হয়েছে। যা দীর্ঘদিন ধরে ছক কোষে গিয়ে ছিল সিসি সরকার। ২০১২ সালে দেশটির প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট হিসাবে জয়লাভ করে ছিলেন মুরসি। কিন্তু এক বছরের মধ্যে মুরসি সরকারের বিরুদ্ধে আমেরিকা, ইসরাইলের মদদে মিশরে অরাজকতা, অস্থির পরিস্থিতি তৈরি করে ক্ষমতায় আসেন আল সিসি।

মুসলিম ব্রাডারহুড এক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, আবদুল্লাহ মুরসি ছিলেন খুবই তরুণ। এত অল্প বয়সে তার হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি রহস্যজনক। মুরসিক আর একে পুত্র আহমেদ বলেছেন, আবদুল্লাহ রাজধানী কায়রোয় বন্ধুর সঙ্গে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এই সময় হঠাৎ তাঁর খিঁচুনির শুরু হয়। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে সেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়ে ছিল। সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
মুরসির মৃত্যুর জন্য প্রথম থেকেই দেশটির নিরাপত্তা কর্তাদের দায়ী করে আসছিলেন আবদুল্লাহ মুরসি। তিনি পরিবারের মুখপাত্র ছিলেন। এই কারণে তাঁকে কৌশলগত ভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only