বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৯

পুরসভার ক্ষমতা দখল নিয়ে বিজেপি-তৃণমূল তরজা, পুলিশ নিরাপত্তায় দফতরের কাজ সারলেন তৃণমূলের পুরপ্রধান

বিজেপি কাউন্সিলর গোবিন্দ মুখোপাধ্যায়

পুূবের কলম,রামজীবনপুর:পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা টাউন থানার অন্তর্গত রামজীবনপুর পুরসভা দখল রাজনীতি এখন তুঙ্গে। পুরনির্বাচনের ফলাফলে ১১ আসন বিশিষ্ট রামজীবনপুর পুরসভাতে পাঁচটি আসন পেয়েছিল তৃণমূল, পাঁচটি বিজেপি, একটি নির্দল। কিন্তু বিজেপির দুই কাউন্সিলর পরে তৃণমূলে যোগদান করায় তৃণমূল রামজীবনপুর পুরসভাতে বোর্ড গঠন করেছিল। 

এই পরিস্থিতিতে বেশ কিছুদিন চলার পর ধীরে ধীরে তারা পুনরায় বিজেপিতে ফিরে যায়।ফলে বিজেপির পাঁচ, তৃণমূলের পাঁচ, নির্দল এক, সংখ্যা হয় রামজীবনপুর পুরসভার কাউন্সিলর হিসেবে। গত এক মাস আগে তৃণমূলের এক কাউন্সিলর শিবরাম দাস বিজেপিতে যোগ দেন। তখনই বিজেপির কাউন্সিলর সংখ্যা হয় ছয় জন, তৃণমূলের চারজন, নির্দল একজন। গত একমাস ধরেই এই সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নিজেদের বোর্ড গঠন করার চেষ্টা চালাচ্ছিল বিজেপি।

বুধবার প্রশাসনিক নিয়ম ব্যতি রেখেই সংখ্যাগরিষ্ঠ বিজেপি কাউন্সিলররা একত্রিত হয়ে 'পুরসভায় বোর্ড গঠন করলাম' বলে ঘোষণা করে। প্রবীণ
বিজেপি কাউন্সিলর গোবিন্দ মুখোপাধ্যায়কে পুরপ্রধান হিসাবে নির্বাচিত করে দেন। কিন্তু সেখানে মহাকুমা শাসকের অনুমতি ছিল না, প্রয়োজনীয় আইনি পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়নি বলে দাবি ওঠে। এই পরিস্থিতিতেও - বিজেপি কাউন্সিলররা পুরপ্রধানের ঘরে ঢুকে তৃণমূলের প্রধানের বোর্ড সরিয়ে দেয়, বিভিন্ন ফাইলপত্র সরানো হয় বলে অভিযোগ।   

এরপরই বিকেলে তৃণমূলের কাউন্সিলরসহ পুরপ্রধান চন্দ্রকোনা টাউন থানায় পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করে। বেআইনিভাবে পুরপ্রধানের ঘরে ঢুকে নথি তছনছ করা, সহ বিভিন্ন ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ করা হয়েছে।

সেইমতো পুলিশের পক্ষ থেকে বিজেপির ৬ কাউন্সিলরকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এরপর বৃহস্পতিবার পুলিশি নিরাপত্তায় কাজ শুরু করেন তৃণমূলের পুরপ্রধান নির্মল চৌধুরী। তিনি বলেন-আইনি ব্যবস্থা সিদ্ধান্ত নেবে কে পুরপ্রধান আর কে পুরপ্রধান নয়। বেআইনি এই পদ্ধতির বিরুদ্ধে আমরা অভিযোগ করেছিলাম। বর্তমানে পুলিশ দিয়ে কাজকর্ম স্বাভাবিক করার চেষ্টা হচ্ছে।  

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only