বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৯

সর্ষে, পোস্ত, ইলিশ আর চিংড়ি মিলে গেছে শারদ উৎসবে

কাউন্ট ডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। হোর্ডিংয়ে হোর্ডিংয়ে ভেসে উঠছে কলকাতার পুজো। সবাই প্রস্তুত। টালা থেকে থেকে টালিগঞ্জ, বালি থেকে বালিগঞ্জ। পঞ্চমী থেকে নবমী কলকাতার প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে ঘুরে ঠাকুর দেখার পাশাপাশি হোটেলে হোটেলে রেস্তোরাঁয় রেস্তোরাঁয় চলবে ভুরিভোজও।আর কী নেই এই ভোজনশালায়! সর্ষে ভাপা ইলিশ যেমন হাতছানি দিচ্ছে তেমনই ভাবিয়ে তুলছে গলদা চিংড়ি মালাইকারি!

বারবিকিউ নেশন(পার্ক স্ট্রিট)  আয়োজিত 'দি শুভ শারদীয়া' ফুড ফেস্টিভ্যাল- এ এসব নিয়েই প্রশ্ন আর উত্তরের আদানপ্রদান চলছিল সংস্থার সহকারি রিজিওন্যল ম্যানেজার শুভ্রজিৎ সাহার সঙ্গে। খাদ্য নির্বাচনের বিষয়ে স্থানিক পছন্দ- অপছন্দের  কথাও উঠল। যেমন ওপারের সর্ষে তো এপারের পোস্ত। অবশ্যই! সায় দিলেন মিঃ সাহা। আগে গঙ্গা-পদ্মার ইলিশ বা চিংড়ি নিয়ে পক্ষপাত থাকলেও এখন আর তেমন নেই। দুটোই মিলেমিশে গেছে।

প্রসঙ্গ যখন শারদ উৎসব, তখন সকলের জন্যই সাজানো থাকছে হরেক পদ। বাঙালি ঘরানার প্রিয়  নিরামিষ-আমিষ আইটেমগুলো হল সর্ষে ভাপা ইলিশ,গলদা মালাইকারি, বেগুন বাসন্তী , ধোঁকার ডালনা, সুক্তো,ঝিঙে পোস্ত, ইত্যাদি আরও নানান ধরনের পদ।

আর নিয়মমাফিক শেষপাতে থাকছে রসগোল্লা, মিষ্টি দই, ছা‌নার পায়েস, সন্দেশ, চমচম আরো নানা ধরনের মিষ্টি। কাবাব, কষা মাংস, চিকেন মোমো, ভেজ মোমো- র মতো ডিশ যারা চান তাদের জন্যেও ব্যবস্থা বিপুল।অর্থাৎ পুজোর দিনগুলোতে কেউ এসে ফিরে যাবেন না। বারবিকিউ নেশন- এর পূর্বাঞ্চলীয় শাখাগুলো হল দুর্গাপুর, শিলিগুড়ি ও গৌহাটি।
উৎসব চলবে ২ থেকে  ১ ০ অক্টোবর পর্যন্ত। সকলেই স্বাগত।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only