সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৯

কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি কেমন? সরেজমিন তদন্ত করে এসে জানালেন সমাজকর্মীরা

 ৫ আগস্ট উপত্যকার বিশেষ মর্যাদাসূচক ৩৭০ ও ৩৫এ সাংবিধানিক অনুচ্ছেদ প্রত্যাহার করার পর দুই মাস অতিক্রান্ত। বর্তমানে কেমন পরিস্থিতি সেখানে? রাজ্যকে ভেঙে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ নামে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করার পরে কাশ্মীরবাসীর মতামত কী? সরেজমিন তদন্ত করতে জম্মু-কাশ্মীরে গিয়েছিলেন আনহাদ এনজিও সংস্থার কর্মকর্তা শবনম হাশমি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অনিরোধ কালা– রেবন্তী লুলা এবং বি ডি’সুজা। শবনম হাশমির নেতৃত্বে এই প্রতিনিধি দল উপত্যকার হাল-হকিকত বুঝতে বহু কাশ্মীরি মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। জম্মু-কাশ্মীরে সরেজমিন তদন্ত করে তাঁরা কী অনুধাবন করলেন– তা জানাতে নয়াদিল্লির প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়েছিল। সেখানে শবনম হাশমি বলেন– ‘জম্মু ও কাশ্মীরে যদি সন্ত্রাসবাদ বৃদ্ধি পায়– তবে তাঁর জন্য দায়ী নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। আমরা প্রায় ৪০০ জন কাশ্মীরি মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে জানতে পারি– কাশ্মীর ইস্যুতে মোদি-শাহ যে সমস্ত নীতি গ্রহণ করেছেন তাতে অধিকাংশ কাশ্মীরবাসীর মতভেদ রয়েছে।’  তাঁরা আরও জানিয়েছেন– উপত্যকা গত ৭০ বছরে পাকিস্তানি জঙ্গিদের কবলে যতটা খারাপ পরিস্থিতির শিকার হয়েছিল– সেখানে তার চেয়েও খারাপ পরিস্থিতি তৈরি করেছে মোদি নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার।
অনতি অতীতে জম্মু-কাশ্মীর ইস্যুতে সরকারের বহু সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সোচ্চার হতে দেখা যেত কাশ্মীরবাসীদের। বর্তমানে উপত্যকার মানুষেরা নীরব রয়েছেন কেন? সরেজমিন তদন্ত করে ওই প্রতিনিধি দল ইঙ্গিত করেছে– সরকারের প্রতি অবাধ্যতা প্রকাশ করতে কাশ্মীরবাসী কি আন্দোলন করার জন্য নীরবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন? সরকারের প্রতি ক্ষোভ কি উপত্যকার মানুষদের মনে ছাইচাপা আগুনের মতো অগোচরে জেগে আছে? তাঁদের নীরবতার কারণ বুঝতে চেষ্টা করছে সরকারও। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছে– উপত্যকার অধিবাসীদের নীরবতার জন্য বিজেপি সরকার উদ্বিগ্ন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only