শুক্রবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৯

দুর্গাপুজোর হেরিটেজ তকমা চেয়ে ইউনেস্কোকে আবেদন



চিন্ময় ভট্টাচার্য

দুর্গাপুজোর হেরিটেজ তকমা চেয়ে ইউনেস্কোর কাছে আবেদন করল রাজ্য সরকার। শুক্রবারই কার্নিভালের মাধ্যামে এবছরের দুর্গাপুজোর সমাপ্তি ঘোষণা হয়েছে।

কার্নিভালের জন্য রাঙামাটির বাংলার আদলে সাজিয়ে তোলা হয়েছিল রেড রোড। এর থিম ছিল 'রাঙামাটির বাংলা'। কার্নিভালে রাঢ়বঙ্গের মন্দির, মসজিদ-সহ সমস্ত ধর্মস্থানে ছড়িয়ে থাকা শিল্পের নিদর্শন তুলে ধরা হয়ে ছিল।

বিশ্ববাংলা শারদ সম্মানপ্রাপ্ত পুজোগুলো-সহ মোট ৭৫টি পুজোকমিটি যোগ দিয়ে ছিল কার্নিভালে। ছিল ছৌ নাচ, ঢাকি এবং চন্দননগরের আলোর গেটের ব্যবস্থাও। অনুষ্ঠানে কলকাতা পুলিশের কমব্যাট কমান্ডোরা মোটর সাইকেলে কসরত প্রদর্শন করেন। তাঁদের এই কসরতের নাম দেওয়া হয়ে ছিল 'টর্নেডো'। কার্নিভালের অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের জন্য মোট ১০টি গেট বসানো হয়েছিল। তার মধ্যে একটি ছিল ভিআইপিদের জন্য সাধারণ দর্শকদের জন্য ছিল ১৫ হাজার আসন। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী-সহ রাজ্যের অন্যান্য মন্ত্রীরা ছাড়াও ছিলেন বিভিন্ন বিদেশি দূতাবাসের প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠানে প্রবীণদেরও আনান হয়ে ছিল। সেখানে প্রবীণদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।  


রাজ্য তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর ইতিমধ্যেই বিশ্ববাংলা শারদ সম্মান প্রাপকদের নাম ঘোষণা করেছে। সেরা মণ্ডপের জন্য নির্বাচিত হয়েছে-বাবুবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি,রাজডাঙা নবোদয় সংঘ, উল্টোডাঙা তেলেঙ্গাবাগান। সেরা প্রতিমার জন্য নির্বাচিত হয়েছে-সেলিমপুর পল্লি, কালীঘাট মিলন সংঘ ও যোধপুর পার্ক সর্বজনীন। সেরা আলোকসজ্জার জন্য নির্বাচিত হয়েছে-হিন্দুস্তান ক্লাব সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি, কলেজ স্কোয়্যার সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি, সিংহী পার্ক, সিমলা ব্যায়াম সমিতি সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির পুজো।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only