বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৯

‘ধর্মেন্দ্রকে বিয়ে করলেও প্রথম পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করিনি’


বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন সেই ১৯৮০ সালে। প্রায় ৩৯ বছর পর ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে তাঁর বিবাহিত জীবন প্রসঙ্গে অকপট বলিউডের ‘ড্রিম গার্ল’ হেমা মালিনি। বললেন– ধর্মেন্দ্রকে বিয়ে করলেও কখনই তাঁকে প্রথম পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করেননি।সাংসদের এ হেন মন্তব্য থেকে স্পষ্ট, ২য় বিয়ে করলেও প্রথম বিয়ে বজায় রাখার পক্ষপাতী তিনি।
বলিউডে বরাবরই ঠোঁট কাটা বলেই পরিচিত অভিনেত্রী তথা পদ্ম সাংসদ হেমা মালিনি। সোজা কথাকে সোজা করে বলতেই স্বচ্ছন্দবোধ করেন বছর ৭১-এর এই ডিভা। তা সে যেই প্রশ্ন হোক না কেন। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তাঁকে প্রশ্ন করা হয় ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে তাঁর বিবাহিত জীবন নিয়ে। জবাবে হেমা বলেন– ‘যেদিন প্রথম দেখেছিলাম ধরমজিকে– সেদিনই আমি বুঝে গিয়েছিলাম এই মানুষটি আমার জন্য। আমি ধরমজির সঙ্গেই নিজের জীবন কাটাতে চাই’। মুশকিল হল– ধর্মেন্দ্র তখন বিবাহিত। ১৯৫৪-তেই তিনি পারকাস কৌরের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন। হেমা বলেন– ‘ধরমজিকে বিয়ে করতে চাইলেও এটাও চেয়েছিলাম– যে এই বিয়ে যেন কাউকে আঘাত না করে। তাঁর প্রথম স্ত্রী ও সন্তানরা কখনও ওঁদের জীবনে আমার কোনও উপস্থিতি অনুভব করেননি। আমি ধরমজিকে বিয়ে করেছি ঠিকই কিন্তু কখনই প্রথম স্ত্রী ও তাঁর পরিবারের থেকে তাঁকে কেড়ে নিইনি’।
উল্লেখ্য, হেমা মালিনীকে বিয়ে করলেও প্রথম স্ত্রীকে আইনত ছাড়পত্র দিতে চাননি ধর্মেন্দ্র। কিন্তু হিন্দুধর্মে একজন স্ত্রী থাকাকালীন– দ্বিতীয়বার বিয়ে করা যায় না। তাই হেমাকে বিয়ের জন্য কোনও কিছুই যেন বাঁধা না হয়– এর জন্য ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন ধর্মেন্দ্র। 
সাক্ষাৎকার যখন একজন তারকা সাংসদের– তখন রাজনৈতিক জীবনের প্রশ্ন উঠবে না তাও কী হয়! ১৬ অক্টোবর ৭১-এ পা রাখলেন উত্তরপ্রদেশের মথুরার এই সাংসদ। সাংবাদিকের এক প্রশ্নের উত্তরে হেমা জানান– রাজনীতি থেকে এবার তিনি অবসর নিতে চান। তিনি বলেন– তাঁর বয়স হচ্ছে। তাই এবার তিনি রাজনীতির ময়দান থেকে সরে দাঁড়াতে চান। কিন্তু সাংসদ হিসাবে মথুরার মানুষদের জন্য আরও অনেক কাজ করার আছে। তাই এই ৫  বছরের সাংসদ কোটা শেষ হলেই– সক্রিয় রাজনীতি থেকে বিদায় নেওয়ার কথা ভাবছেন বিজেপির এই সাংসদ। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only