বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০১৯

সার্ধশতবর্ষে জাতির জনক। তাঁর সঙ্গে নিবিড় পরিচয় করিয়ে দিতে পুবের কলমের বিশেষ নিবেদন

জাহিরুল হাসান

পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে যেখানেই মানুষ অন্যায়-অবিচারের শিকার হবেন– ইতিহাস-পরীক্ষিত বিজ্ঞানসম্মত ও দাবি আদায়ের সবচেয়ে কার্যকরী হাতিয়ার হিসেবে অহিংসার কথাই বার বার ভেবে দেখতে হবে। আধুনিককালে অহিংসবাদের সবচেয়ে বড় প্রবক্তা মহাত্মা গান্ধির জন্মদিনকে তাই রাষ্ট্রসংঘ আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবস হিসেবে গণ্য করেছে। এ বছর তাঁর জন্মের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে দিনটি আরও তাৎপর্যময় হয়ে উঠেছে।

গান্ধিজি তখন আফ্রিকায়। ১৯০৬ সাল। বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনে উত্তাল বাংলা। ঠিক সেই সময়ে কলকাতা থেকে পাঁচ হাজার মাইল বা তারও দূরে স্থানীয় লড়াইয়ে ব্যস্ত গান্ধিজি। ট্রান্সভাল সরকার আদেশ জারি করেছে, দেশের সব ভারতীয়কেই নাম পঞ্জিভুক্ত করাতে হবে টিপছাপ দিয়ে। অন্যথায় জরিমানা– জেল বা নির্বাসন। গান্ধিজি গর্জে উঠলেন– ‘এ অসম্মান। আমরা এই কালা কানুনের বিরুদ্ধে লড়ব। সরকার অত্যাচার করবে আক্রমণ করবে– তবু আমরা কোনও বাধা দেব না।’ প্রতিবাদের এক নতুন পথ বের করলেন তিনি এবং এর নাম দিলেন ‘সত্যাগ্রহ’। গান্ধিজি-সহ শ’য়ে শ’য়ে ভারতীয়কে গ্রেফতার করা হল এবং আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনের চেষ্টা না করায় তাঁরা কারাবাসে দণ্ডিত হলেন। যে মানুষ মার ঠেকাতে হাত তোলে না– তাকে কত মারা যায়? ভারতীয়দের প্রতিরোধহীন অবাধ্যতা সরকারকে নৈতিকভাবে দুর্বল করে দিল। গান্ধিজির সঙ্গে সমঝোতা করতে চাইল সরকার। প্রতিশ্রুতি দিল– আপত্তিকর আইন রদ করা হবে এবং সবাই জেল থেকে ছাড়া পাবেন– যদি ভারতীয়রা স্বেচ্ছায় নাম নথিভুক্ত করাতে রাজি থাকেন। 

সেখানকার অধিকাংশ ভারতীয়ই এ ব্যাপারে গান্ধিজিকে সমর্থন করেছিলেন। কিন্তু কিছু মানুষ মনে করলেন এটা গান্ধিজির ভীরুতা। তাঁদের মধ্যে মির আলম নামে একজন পাঠান ছিলেন। গান্ধিজি যখন নাম নিবন্ধন করাতে গেলেন– মির আলম রাগের বশে তাঁকে মোটা লাঠি দিয়ে আক্রমণ করলেন। মার খেয়ে গান্ধিজি অচেতন হয়ে পড়েন। জ্ঞান আসার পর– আক্রমণকারী সম্পর্কে খোঁজ নিলেন এবং জানালেন তিনি তাঁকে ক্ষমা করে দিতে চান, তাঁর বিরুদ্ধে যেন কোনও মামলা রুজু না হয়। এদিকে সরকারও কথা রাখেনি– আপত্তিকর আইন রদ হয়নি। সত্যাগ্রহের পথেই শুরু হল এক দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলন। গান্ধিজি আবার জেলে গেলেন। পৃথিবী বিস্ময়ের সঙ্গে দেখল– সত্যের খাতিরে বিনা প্রতিবাদে কষ্টস্বীকার। শেষ পর্যন্ত জয় হল ভারতীয়দেরই– অন্যায় আইন সরকার প্রত্যাহার করে নিল– ভারতীয়দের সব দাবিই মেনে নেওয়া হল।

তবু প্রশ্ন থেকে যায়, মানুষ কি আসলে প্রকৃতিতে হিংস্র? আদিম হিংস্রতাকে কোনোভাবে চাপা দিয়ে রেখেছে সমাজের অনুশাসনে– আইনের ভয়ে বা গান্ধিবাদের মতো কোনও নৈতিক আদর্শে? জোর যার মুল্লুক তার– এটাই কি সত্যি? ট্রান্সভালের ঘটনা কি তা হলে ব্যতিক্রম? যেখানে বড়ো মাপের দ্বন্দ্ব– দু’পক্ষই অনমনীয়– হিংসা ছাড়া কি সমাধান নেই? ন্যায় আদায়ের কি সেটাই চূড়ান্ত উপায়? রাজনীতিবিদরা নানা জনে নানা কথা বলবেন। কিন্তু বিজ্ঞানে ভাববাদের কোনও স্থান নেই।

আমেরিকার একদল বৈজ্ঞানিক রসায়নাগারে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে আবিষ্কার করেন– মানুষ বুড়ো আঙুল তর্জনী ও মধ্যমার ওপর চেপে মুঠো করতে পারে– যা তার নিকট প্রজাতি বানরেরা কেউ পারে না। আর মুঠো নাকি মানুষের প্রকৃতিদত্ত হাতিয়ার শত্রুকে আঘাত করার জন্য। এই মতের বিরোধীরা বলেন, মানুষের নাক যে বাঁকানো, তা কি চশমা পরার সুবিধার জন্য? আসলে প্রকৃতি তো মানুষকে কোনও ব্যাপারে অসম্পূর্ণ রাখেনি– তার চশমা পরার কথাই নয়– যদি সে অরণ্যচারী মানুষের মতো চোখকে ব্যবহার করত। মুঠোও তেমনি নানা ধরনের কাজকর্মের জন্য। প্রাণীতত্ত্ববিদ– নৃতত্ত্ববিদ এবং মনস্তত্ত্ববিদদের মধ্যে এসব নিয়ে বহুকাল ধরে মতভেদ ছিল। ১৯৮৬ সালে বিশ্বের ২০ জন বৈজ্ঞানিক মিলে মানুষের মনে হিংসা সম্পর্কে তাঁদের যৌথ অভিমত জ্ঞাপন করেন– যা সেভিইয়া বিবৃতি নামে বিখ্যাত। বিতর্ক থামাতে তাঁরা বললেন, এটা ভাবা ভুল যে যুদ্ধ বা যে-কোনও সহিংস আচরণ মানুষের শরীরের ভেতরে জিনে আছে। জাতিসংঘের শাখা সংগঠন ইউনেস্কো এই ব্যাখ্যা লুফে নেয় এবং সেই আশ্বাসে ঘোষণা করে যে বিশ্বশান্তির বাস্তব ভিত্তি আছে। 
এ সত্ত্বেও– বিজ্ঞানী মহলে বিতর্ক থামেনি। মার্কিন নৃতত্ত্ববিদ ডগলাস ফ্রাই-এর গবেষণা যুদ্ধ এবং শান্তি নিয়েই। তিনিও বললেন– প্রকৃতি আমাদের তৈরি করেছে যুদ্ধ থেকে দূরে থাকার জন্য এবং এ একদম বাজে কথা যে– মানুষের সহজাত ঝোঁক হিংসার দিকে। আর-এক নৃতত্ত্ববিদ পলি উয়িজনর পাপুয়া-নিউগিনি এবং কালাহারি মরুভূমির উপজাতিদের মধ্যে ক্ষেত্র সমীক্ষার অভিজ্ঞতায় মুঠো পাকানোর তত্ত্বকে নস্যাৎ করে বলেন– এইসব উপজাতি কখনও-কখনও প্রতিপক্ষের সঙ্গে কুস্তি লড়ে বটে– কিন্তু কেউ মুষ্টিযুদ্ধ করে না। টিকে থাকা প্রাচীন উপজাতিগুলির মধ্যেই আদিম মানুষের সমাজ ও ব্যক্তিস্বভাব সবচেয়ে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা যায়। ডগলাস ফ্রাই এরকম ৭০টি উপজাতি সমাজের আচরণ লক্ষ করে দেখেছেন– তাঁরা যুদ্ধ করেন না। অস্ট্রেলিয়ার মার্তু উপজাতির ভাষায় ঝগড়া বা যুদ্ধের সমার্থক কোনও শব্দ নেই। মালয়েশিয়ার সেমাই উপজাতি সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকলে জঙ্গলে গিয়ে লুকোয়। এমনকি– সুদূর অতীতে মানুষ যখন বন্য আদিম অবস্থায় ছিল– প্রত্নতাত্ত্বিক খননে তাদের মধ্যে গোষ্ঠী সংঘর্ষের প্রমাণ মেলেনি। জিন থেকে শুরু করে আচরণ– জীবাশ্ম– প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন– কোনও কিছুই মানুষের মধ্যে হিংসার স্বাভাবিক প্রবণতার দিকে ইঙ্গিত করে না। তবে, মানব সমাজে যুদ্ধ ছিল না তা তো নয়। অতীতে মানুষ যখন সভ্যতা এবং আরামের জীবন খুঁজে পেল– তখন থেকেই তার মনে লোভ– হিংসা– জিঘাংসা ইত্যাদি জাগতে শুরু করে। তা হলেও– আজকের সভ্য মানুষের কত শতাংশের এই প্রবণতা? ভারতে ২০১৬ সালে এক লাখ জনসংখ্যা পিছু খুনের হার ছিল ৩.২। বাকি যে বিশাল সংখ্যা তা কি এটাই সাক্ষ্য দেয় না যে মানুষ স্বভাবে হিংস্র নয়?

গান্ধিজির মতে, হিংসার তাপ থেকে বাঁচার একমাত্র অহিংস উপায় আইন অমান্য। অহিংসার অর্থ সচেতন কষ্টস্বীকার। অহিংসা না থাকলে কিছুই থাকবে না– পরিণামে একদিন মানবজাতি ধ্বংস হবে। কিন্তু খরগোশ যদি হিংস্র কুকুরকে দেখে পালিয়ে যায়– তবে সে নিজেকে অহিংস দাবি করতে পারে না। এটা মনে হয় গান্ধিজি রূপক অর্থে বলেছেন মানুষের কথা ভেবেই। আত্মরক্ষার জন্য অহিংসাকে ব্যবহার করতে গেলে নিজের জীবন ও সম্পত্তি সম্পর্কে বেপরোয়া হতে হয়। প্রকৃত অহিংস ব্যক্তি অত্যাচারের বিবরণ দেবার জন্য জীবিত থাকেন না– তিনি ওই স্থানেই জীবন বিসর্জন দেন অহিংসভাবে প্রতিরোধ করতে গিয়ে। অহিংস অসহযোগ সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের আদর্শ জাগায়– যা প্রতিপক্ষকে সাহায্য করে নিজের ভুল স্বীকার করে ঠিক পথে ফিরে আসতে। অহিংস সংগ্রামে কোনও বয়ঃসীমা নেই— দৃষ্টিহীন– বিকলাঙ্গ– শয্যাশায়ী– নারী বা পুরুষ যে-কেউ এতে অংশ নিতে পারেন। এই জাতীয় অহিংস আন্দোলনে বিশ্বের জনমতকে পাশে পাওয়া যায়। অহিংস লড়াইয়ের উদ্দেশ্য হল মতৈক্যে পৌঁছনো– প্রতিপক্ষকে পর্যুদস্ত করা নয়। অহিংসা সম্পর্কে এই ছোটো ছোটো উপলব্ধি গান্ধিজির অহিংসা নীতির নির্যাস। তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ঘোষণা করেছিলেন– ‘আমার অহিংসা নির্দেশ দেয় সংখ্যাল্পদের সেবায় নিয়োজিত হতে। আমার অহিংসার অর্থ সংখ্যালঘু যদি দুর্বল হয় তা হলে তার দাবির কাছে নতি স্বীকার করা। আমার অহিংসা অপরাধীরও শাস্তি দাবি করে না। আমি মরতেও রাজি কিন্তু মারতে নয়। দেশের জন্য আমি সবকিছু ছাড়তে পারি অহিংসা বাদে।’
দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে লড়াই এবং ইসরাইলিদের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনের লড়াই দুটোই ১৯৪৮-এ শুরু। ১৯৯৪ সালে নেলসন ম্যান্ডেলার নেতৃত্বে দক্ষিণ আফ্রিকার কালো মানুষেরা বর্ণবিদ্বেষের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেয়ে গেছেন। ম্যান্ডেলার ভাবনা ও কাজে গান্ধির এতই প্রভাব যে কয়েক বছর আগে দিল্লিতে আয়োজিত তাঁর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে সে দেশের রাষ্টÉদূত কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্বীকার করেন– ম্যান্ডেলা যদি হন দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় পিতা– তবে গান্ধি পিতামহ। গৌতম বুদ্ধের পরে গান্ধিই দ্বিতীয় ভারতীয়– বিদেশে যাঁর খ্যাতি ও প্রভাব সবচেয়ে বেশি। প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামা দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গিয়ে তাঁর কন্যাদের অবহিত করান সেখানে গান্ধির জীবন ও সংগ্রাম সম্পর্কে। ওবামা নিজেও গান্ধিভক্ত। বহুবার গান্ধিকে কৃতিত্ব দিয়েছেন তাঁর দেশে বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে আন্দোলনের প্রেরণা হিসেবে। এই আন্দোলনের প্রবাদপ্রতিম নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র বিশ্বাস করতেন– ন্যায় ও সমাজের পশ্চাৎপদ অংশের উন্নতির দাবি আদায়ের জন্য গান্ধির অহিংস মতবাদই সবচেয়ে যুক্তিসংগত নৈতিক পথ।
আপশোশ– ফিলিস্তিনিরা যে তিমিরে ছিলেন আজও সেই তিমিরে। বছরের পর বছর সশস্ত্র সংগ্রামে অন্ধকার কাটা দূরে থাক– আরও গাঢ় হয়েছে। ক্ষুব্ধ আরব রাষ্ট্র সমূহ ও ফিলিস্তিনি সম্প্রদায় বাধা দিতে চেষ্টা করেছে খোলাখুলি যুদ্ধ এবং গেরিলা আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে। এ ছাড়া– জনতার স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ প্রকাশ পেয়েছে বিপক্ষের উর্দিধারীদের বিরুদ্ধে পাথর ছোড়ায়। ফিলিস্তিনি যুবকেরা একে অহিংস ও প্রতীকী আন্দোলন বলে মনে করেন। এর এক আরবি নামও আছে--- ইনতিফাদা। কাউকে আঘাত করার চেয়ে ক্ষোভ প্রদর্শনের উদ্দেশ্যই তাতে বেশি। কিন্তু গান্ধীয় দর্শনে পাথর ও গুলির মধ্যে কোনও তফাত নেই। তা-ও তো এটা প্রত্যক্ষ হিংসা– কোনও পরোক্ষ হিংসাকেও গান্ধি সমর্থন করতেন না।
রাষ্টÉবিজ্ঞানী এরিকা চেনোওয়েথ ও তাঁর সহকর্মী মারিয়া স্তেফান ১৯০০ সাল থেকে সমকাল পর্যন্ত ৩২৩টি সহিংস ও অহিংস আন্দোলনের তথ্য সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে সহিংস আন্দোলন মাত্র ২৩ শতাংশ ক্ষেত্রে সফল এবং ৬০ শতাংশ ক্ষেত্রে পুরোপুরি ব্যর্থ। অন্যদিকে– অহিংস আন্দোলনের সাফল্যের হার ৫৩ শতাংশ এবং একেবারেই সফল নয় মাত্র ২০ শতাংশ ক্ষেত্রে। অহিংস আন্দোলনে স্বাভাবিকভাবেই অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বেশি হয়। নারী– বয়স্ক ও অশক্ত মানুষেরাও তাতে যোগ দিতে পারেন।  নিরস্ত্র জনতার ওপর গুলি চালাতে সুরক্ষা বাহিনী সাহস করে না বা করলেও ফল উলটো হয়। মিডিয়া– বুদ্ধিজীবীবর্গ– ব্যবসায়ী মহল এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মত তখন অত্যাচারিতদের পক্ষে চলে যায়।
২০০৪ সালের জানুয়ারি মাসে নোবেল সম্মানে ভূষিত ইরানের মানবাধিকার নেত্রী শিরিন এবাদি প্যারিসের এক হিন্দি শিক্ষকের মুখে প্রথম শোনেন আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবসের প্রয়োজনীয়তার কথা। ক্রমশ– তাঁদের এই প্রস্তাব সমর্থন পেতে শুরু করে এবং ভারতের কংগ্রেস দল ও দক্ষিণ আফ্রিকার নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রাপক ডেসমন্ড টুটু প্রস্তাবটিকে এগিয়ে নিয়ে যান। তিন বছর পরে ২০০৭ সালে রাষ্ট্র সংঘ আধুনিককালে অহিংসবাদের সবচেয়ে বড়ো প্রবক্তা মহাত্মা গান্ধির জন্মদিনকে আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবস হিসেবে বেছে নেয়। এ বছর তাঁর জন্মের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে দিনটি আরও তাৎপর্যের হয়ে উঠেছে। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে যেখানেই মানুষ অন্যায়-অবিচারের শিকার হবেন– ইতিহাস-পরীক্ষিত বিজ্ঞানসম্মত ও দাবি আদায়ের সবচেয়ে কার্যকরী হাতিয়ার হিসেবে অহিংসার কথাই বার বার ভেবে দেখতে হবে।
লেখক বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও গ্রন্থকার

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only