শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৯

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে আরএসএসের পতাকা খোলার নির্দেশ দিয়ে পদ হারালেন আধিকারিক


পুবের কলম, ওয়েব ডেক্স: বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে কেন আরএসএস-এর পতাকা? বিষয়টি উচিৎ নয় বলে মনে করেছিলেন এক আধিকারিক। নির্দেশ দিয়েছিলেন পতাকা সরানোর। আর তাতেই জোর বিপত্তি। অভিযোগ গায়ের জোরে ওই আধিকারিককে সরানো হয় নিজের পদ থেকে। উত্তরপ্রদেশের বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা।

হোস্টেলে ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে একদিকে উত্তাল জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়। সেই সময় অন্যদিকে সংবাদের শিরোনামে উঠে এল উত্তরপ্রদেশের বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএইচইউ) নাম। ওই পীঠস্থানের ঘটনায় সমালোচনার ঝড় সর্বত্র। কারণ জোর করে একজন মহিলা পদাধিকারীকে নিজের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ঠিক কী হয়েছে ঘটনাটি? ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে লাগানো ছিল আরএসএস-এর পতাকা।

 মঙ্গলবার সকালেই সেই পতাকা শিক্ষাঙ্গণ থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন কিরণ দামলে নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি ইনস্পেক্টর। খবর পৌঁছতেই ‘রেগে আগুন তেলে বেগুন’ আরএসএস। প্রতিবাদ জানায় দলের কিছু সমর্থকও। বিক্ষুব্ধরা কিরণ দামলের পদত্যাগ দাবি করেন। বিষয়টিকে এতো সহজে ছাড়তে রাজি নয় আরএসএস। তাই ধর্মীয় ভাবাবেগকে অপমান করা হয়েছে এই অভিযোগে পুলিশেও নালিশ ঠুকেছে বিক্ষুব্ধ শিবির। ঘটনাটি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াতেও।

কিরণ দামলের বক্তব্য– ‘আমি সংঘ সদস্যদের বলেছিলাম তারা যেন নিজেরাই পতাকাটি সরিয়ে নেয়। কিন্তু তারা আমার কথাতে কোনও পাত্তাই দেয়নি। তাই আমিই পিয়নকে নির্দেশ দিই পতাকা খুলে ফেলার। সংঘ সদস্যরা যখন আসে তখন আমি বলেছিলাম এই স্পর্শকাতর সময়ে দলীয় পতাকা ঝোলানো ঠিক না। এরপরও তারা আমাকে জোর করতে থাকে। কিন্তু আমি আমার যুক্তিতে অনড় থাকি’। তারপর থেকেই আন্দোলন শুরু। মির্জাপুর ক্যাম্পাসে দামলেকে চরম অপমান করা হয় বলে অভিযোগ। অপমানের বিষ খেতে না পেরে শেষমেশ পদত্যাগ করেন তিনি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only