শনিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৯

অযোধ্যা­র বিতর্কিত জমিতে সীমানা নির্ধারণের কাজ শুরু

অযোধ্যা মামলার চূড়ান্ত রায় হয়ে গিয়েছে। অধিকার হারিয়েছে মুসলিমপক্ষ। কেন্দ্রকে  ট্রাস্ট বানাতে নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষকোর্ট। সেই ট্রাস্টই তৈরি করবে রামমন্দির। এই ট্রাস্টে কাদের কাদের রাখা হবে তা নিয়ে চাপে রয়েছে কেন্দ্র। তার মীমাংসা হয়নি। এরই মাঝে মন্দিরের জমিতে নতুন করে মাপজোক শুরু করে দিল প্রশাসন। উদ্দেশ্য জমির সীমানা নির্ধারণ।

৬৭.৬৩ একর জমি অধিক গ্রহণ করা হয়েছিল ১৯৯৩ এর জানুয়ারিতে। অযোধ্যা আইন ১৯৯৩, মোতাবেক এই অধিগ্রহণ হয়েছিল। কোট রামচন্দর, জালওয়ানপুর এবং ফৈজাবাদ তহসিলের অওধ খাস অধিগ্রহণ করা হয়েছিল।এই অধিগৃহীত জমির মধ্যে ছিল কৃষি জমি, বসতবাড়ি, হিন্দু মন্দির এবং মুসলিম গোরস্তান।

সুত্রের খবর, পাকাপাকিভাবে ট্রাস্ট তৈরির আগে প্রশাসন স্পষ্ট করে নিতে চাইছে অধিকৃত জমি ঠিক কি অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনকে জমি মাপজোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর যে জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল– শনিবার সেই জমিরই সীমানা নির্দেশ করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। ফৈজাবাদের কমিশনার মনোজ মিশ্র যদিও এই সীমানা নির্দেশ প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে চাননি। তিনি বলেছেন অধিগৃহীত জমি মাপ-জোকের দরকার রয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only