বুধবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৯

ঝাড়খণ্ডে বিজেপি’র বিরুদ্ধে জোড়া ধাক্কা, দল ছাড়লেন ২ নেতা, ফাটল এনডিএতেও



পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক : ঝাড়খণ্ডে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে শাসকদল বিজেপি’র দুই প্রভাবশালী নেতা দল ছেড়ে অন্য দলে যোগ দিয়েছেন। একইসঙ্গে বিজেপি ও এনডিএ’র শরিক ‘লোক জনশক্তি পার্টি’ (এলজেপি) ঝাড়খণ্ডে  ৮১ আসনের মধ্যে ৫০ টি আসনে এককভাবে লড়াই করার ঘোষণা দিয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দলটির সভাপতি চিরাগ পাসোয়ান ওই  ঘোষণা দিয়েছেন। এভাবে দু’টি ঘটনাকে বিজেপির বিরুদ্ধে জোড়া ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার রাজ্য বিজেপি’র চিফ হুইপ রাধাকৃষ্ণ কিশোর বিজেপি ত্যাগ করে ‘অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (এজেএসইউ) ও বিজেপি’র প্রথমসারির নেতা বৈদ্যনাথ রাম ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চায় যোগ দিয়েছেন। রাজ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের দু’বারের মন্ত্রী ছিলেন বৈদ্যনাথ। মঙ্গলবার দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করে তিনি ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চায় যোগ দেন।

অন্যদিকে, দলের চিফ হুইপের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি ছত্তরপুর কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন রাধাকৃষ্ণ কিশোর। এদিন তিনিও বিজেপি ছেড়ে ‘অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (এজেএসইউ)তে যোগ দিয়েছেন।

আগামী ৩০ নভেম্বর ঝাড়খণ্ড বিধানসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিজেপি ও গেরুয়া শিবির এরইমধ্যে প্রথমদফায় ৫২ জনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। বাকি পড়ে রয়েছে ২৯ টি আসন। এরমধ্যে সবটাই যে এলজেপি’কে বিজেপি ছেড়ে দেবে, এমনটা নয়। তাছাড়া এলিজেপি যে এত কম সংখ্যক আসনে লড়বে না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন দলটির সভাপতি চিরাগ পাশোয়ান। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, বিজেপি নেতৃত্বাধীন  এনডিএ’র সঙ্গে এলজেপি’র মধুচন্দ্রিমায় কী এবার শেষ হতে চলেছে?  রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সেই প্রশ্নই জোরালো হয়ে উঠেছে। যদি সত্যিই  ওই সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে তাহলে, মহারাষ্ট্রের পরে ঝাড়খণ্ডের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিজেপির কাছে বড় বিড়ম্বনার বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। মহারাষ্ট্রে সম্প্রতি ক্ষমতার ভাগাভাগিজনিত দ্বন্দ্বে বিজেপি-শিবসেনা জোট ভেঙে গিয়েছে। ঝাড়খণ্ডও একই পথে যেতে চলেছে। ঝাড়খণ্ডের বিধানসভা নির্বাচন শুরু হচ্ছে আগামী ৩০ নভেম্বর। পাঁচ দফার নির্বাচন শেষ হবে আগামী ২০ ডিসেম্বর।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only