সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৯

জহিরুদ্দিনের সাথে দেখা করল বাসিরুল, স্মৃতিচারণা করলেন ভয়ঙ্কর সেই দিনের





"সাহিন হোসেন, সাগরদিঘি:

কি করে বেঁচে গেলেন তা আশ্চর্য। একজন জহিরুদ্দিন, গুলিবিদ্ধ হয়েও কোনক্রমে যিনি বেঁচে গিয়েছেন। অন্যজন বাসিরুল যিনি খাবার আনতে গিয়ে বেঁচে যান। মানসিকভাবে এখনও মর্মাহত বাসিরুল। ১৮নভেম্বর সাগরদিঘি এস এন হাই স্কুলে "কাশ্মীরে জঙ্গি হানায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন" অনুষ্ঠানে সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন এর সম্পাদক মুহাম্মদ   কামরুজ্জামান'কে সে ভয়ঙ্কর দিনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে  গিয়ে বারবার কাঁপতে থাকেন বাসিরুল।
বাহাল নগরে জহিরুদ্দিনের আসার পর থেকে প্রতিদিনই দু-চার বার করে দেখা করতে আসেন বাসিরুল। বাসিরুলকে একা ছাড়েন না তার স্ত্রী। এদিকে স্বামীর সেবায় মগ্ন পারমিতা জানান, "জহিরকে সব সময় খেয়াল রাখতে বলেছেন ডাক্তার বাবু, আর হাত নিয়ে ও এখনো কষ্টে হাতটা আছে নড়াতে পারছে না।" সস্ত্রীক বাসিরুল দেখা করতে এসে বলেন, "ভাই একটুর লেগিন বেঁচি গেলছি, আর লয় ভাই কাশ্মীর। "কথা বলতে বলতে দুজনের মনে পড়ে যায় একসাথে থাকা নইমুদ্দিন, কামরুদ্দিন, মুরসালিম, রাফিকুল ও রফিক ভাইদের কথা। ওরা যে জীবিত ফেরেনি।সাগরদিঘির বাহালনগরে যারা জহিরুদ্দিনকে দেখতে এসেছেন, সবার মুখে মুখে একটাই কথা এ যে পুনর্জন্ম গো।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only