বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৯

কাশ্মীর-ফেরত শ্রমিকদের সহায়তায় মানবিক মমতার


প্রিতীশ সরকার, বালুরঘাট­ 
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার উন্নয়ন প্রকল্পর বাস্তবতা নিয়ে মঙ্গলবার জেলার গঙ্গারামপুরে ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রিভিউ মিটিং। প্রশাসনিক বৈঠকে এসেও এ দিন কল্পতরু ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রিভিউ মিটিংয়ের আগেই কাশ্মীর-ফেরত দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ১১২ জন শ্রমিকের হাতে ৫০ হাজার টাকা করে চেক তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। জানা গেছে, এ দিন বৈঠক শুরুর আগেই মঞ্চে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী কাশ্মীর-ফেরত ১১২ জনের হাতে ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দেন। রাজ্য সরকার তথা মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চেক পেয়ে খুশি সুব্রত বসাক, হায়দার আলি, হাসান আলি, আবদুল কাদের মিঞারা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আতঙ্কের কারণে কাশ্মীর থেকে কাজ ছেড়ে ফিরে এসেছেন এই শ্রমিকরা। তাদের সামাজিক সুরক্ষা যোজনার আওতায় আনা হয়েছে। গঙ্গারামপুর স্টেডিয়ামে অস্থায়ী টেন্টে জেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে পুলিশ ও অনান্য আধিকারিকের নিয়ে এ দিনের বৈঠক চলে দীর্ঘক্ষণ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সামাজিক সুরক্ষা যোজনার অধীনে আনা হয়েছে কাজ সেরে কাশ্মীর-ফেরত শ্রমিকদের। ৫০ হাজার টাকা করে এদের দেওয়া হল, যাতে এরা এই টাকা দিয়ে কিছু করে খেতে পারেন। উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন আগে কাশ্মীরে আততায়ীদের গুলিতে মুর্শিদাবাদ জেলার পাঁচ শ্রমিকের মৃত্যু হতেই তৎপর হয়ে ওঠে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে কাশ্মীরে কর্মরত রাজ্যের ১৩৩ জনকে ফিরিয়ে আনা হয়। যার মধ্যে ১১২ জন শ্রমিক দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার। এদের মধ্যে ১০৫ জন কুশমণ্ডির, ৫ জন বংশীহারী এবং দু’জন শ্রমিক গঙ্গারামপুর ব্লকের বাসিন্দা। 
কলকাতা থেকে পুলিশি নিরাপত্তায় তিনটি বাসে করে ওই শ্রমিকদের নিয়ে আসা হয় দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়। ৫ নভেম্বর ভোর ৫টা নাগাদ জেলার বুনিয়াদপুরে পৌঁছন তাঁরা। তাদের অভ্যর্থনা জানান উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান অর্পিতা ঘোষ, গঙ্গারামপুর মহাকুমা শাসক দেবাঞ্জন রায়, গঙ্গারামপুর মহাকুমা পুলিশ আধিকারিক দ্বীপ কুমার দাস সহ অন্যান্য আধিকারিক। তাদেরকে সামাজিক সুরক্ষা যোজনার অন্তর্ভুক্ত করা হল এ দিন। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only