শনিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৯

আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়েই কাশ্মীর পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব : যশবন্ত সিনহা


পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক :  সাবেক কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা বলেছেন, আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়েই কাশ্মীর পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব। যশবন্ত সিনহা’র নেতৃত্বে নাগরিক সমাজের এক প্রতিনিধি দল গতকাল শুক্রবার কাশ্মীরে পৌঁছেছেন। প্রতিনিধিদলটি সেখানকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন এবং সেখানে আটক মূলধারার রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করবেন।

নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিলের পরে বনধজনিত কারণে গত তিন মাসে জনগণের অর্থনৈতিক ক্ষতি ও  কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি মূল্যায়ন করবেন। আগামী (সোমবার) তাঁরা সেখান থেকে ফিরে আসবেন।

প্রতিনিধি দলটিতে যশবন্ত সিনহা’র পাশাপাশি সাবেক আমলা ওয়াজাহাত হাবিবুল্লাহ, অবসরপ্রাপ্ত এয়ার ভাইস মার্শাল কপিল কাক, সাংবাদিক ভারত ভূষণ এবং সামাজিক কর্মী সুশোভা বারবে রয়েছেন।

যশবন্ত সিনহা সাংবাদিকদের বলেন, তাঁরা এখানকার পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত হবেন। এখানে সবকিছু সত্যিই স্বাভাবিক কি না তা খতিয়ে দেখা  হবে। কারণ কেন্দ্রীয় সরকার কাশ্মীরে পরিস্থিতি ঠিক আছে বলে দাবি করছে। এখানকার পরিস্থিতি দেখে একটি প্রতিবেদন তৈরি করা হবে।

তিনি বলেন, তাঁরা যখন বিমানবন্দর থেকে হোটেলে আসছিলেন, পথে অনেক দোকান বন্ধ ছিল। পরিবহণ ব্যবস্থাও অপ্রতুল যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার লক্ষণ নয়। তাঁরা গত ৫ আগস্ট থেকে অর্থনৈতিক ক্ষতির মূল্যায়ন করবেন। কীভাবে ওই ক্ষতিপূরণ দেওয়া যায় তাও দেখা হবে।

যশবন্ত সিনহার মতে, ইন্টারনেট ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিষিদ্ধ করা ভুল সিদ্ধান্ত। তিনি কখনই ৩৭০ ধারা ও ৩৫-এ ধারা বিলোপের সরিয়ে দেওয়ার পক্ষপাতী ছিলেন না। এবং এটি করে,  সরকার বড় ভুল করেছে যা সংশোধন করা দরকার বলে শ্রী সিনহা মন্তব্য করেন।

নাগরিক সমাজের ওই প্রতিনিধিদলের অন্যতম সদস্য ও জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশনের সাবেক প্রধান ওয়াজাহাত হাবিবুল্লাহ বলেন, আমরা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করাসহ সমাজের বিভিন্ন অংশের লোকদের সাথে সাক্ষাত করব এবং জম্মু কাশ্মীর পুনর্গঠন আইন ২০১৯ বাস্তবায়নের পরে সেখানকার উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করব। আমরা এরইমধ্যে কিছু লোকের সাথে, বিশেষত একদল যুবকের সাথে কথা বলেছি। আমরা সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, বার অ্যাসোসিয়েশন সদস্য, ব্যবসায়ী সংগঠন, ট্যুরিস্ট অপারেটর ও শিক্ষাবিদসহ সকল শ্রেণির মানুষের সাথে দেখা করব।

ওই প্রতিনিধি দলটির সঙ্গে প্রথম দিন কাশ্মীর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের কর্মকর্তা ছাড়াও সমাজকর্মী খুররম পারভেজ, কাশ্মীরি পণ্ডিত  সংগ্রাম সমিতির চেয়ারম্যান সঞ্জয় টিক্কু এবং অন্যান্য নেতারা সাক্ষাত করতে এসেছিলেন। এসময় প্রত্যেকে তাদেরকে কাশ্মীরের চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only