বুধবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৯

প্রতি ৩ মিনিটে চুরি একটি বাড়ি থেকে!




পুবের কলম, ওয়েব ডেস্ক: নামেই চৌকিদার। দেশবাসীর সম্পত্তির দেখভাল করতে পারছেন কই সম্প্রতি ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর (এনসিআরবি) একটি রিপোর্টে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সেই তথ্য দেখে এখন এমনই প্রশ্ন করছেন দেশের আম আদমি। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৭ সালে প্রতি তিন মিনিটে কোনও না কোনও বাড়ি থেকে চুরি-ডাকাতির মতো ঘটনা ঘটেছে। ওই বছর ২ লক্ষ ৪৪ হাজার ১১৯টি মামলা হয়েছে। ২০১৬-র থেকে সেই সংখ্যাটা একলাফে বেড়েছে ১০ শতাংশ।

ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে তা না মিটিয়েই বিদেশে পালিয়েছেন একাধিক শিল্পপতি। তার মানে সুরক্ষিত নয় ব্যাঙ্কও। তাহলে কোথায় রাখবেন আপনার ভবিষ্যতের জন্য জমানো পুঁজি? যদি ভাবেন বাড়ি, এখন দেখা যাচ্ছে তাও তো সুরক্ষিত নয়। কারণ এনসিআরবি-র রিপোর্ট বলছে, চুরি-ডাকাতি বাড়ছে। ২০১৬-তে চুরি-ডাকাতির মামলা দায়ের হয়েছিল ২ লক্ষ ২০ হাজার ৮৫৪টি। ২০১৭-তেই সেই সংখ্যাটা বেড়ে হয় ২ লক্ষ ৪৪ হাজার ১১৯টি। অর্থাৎ ২০১৬-র থেকে সেই সংখ্যাটা একলাফে বেড়েছে ১০ শতাংশ। এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই ২০১৭-তে  আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০৬৫ কোটি। ২০১৬-তেই সেই পরিমাণ ছিল ১,৪৭৫ কোটি, অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ৪০ শতাংশ।

নাগরিকদের নিরাপত্তা দেওয়া পুলিশ ও প্রশাসনের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ একটি দায়িত্ব। দেশের বাসিন্দারা যাতে সিধেল চোর, ডাকাত এবং চোরেদের থেকে নিজেদের ঘরবাড়িকে সুরক্ষিত রাতে পারেন তার জন্য দেওয়া হয় তাদের উৎসাহও। ২০১৭তে ১৫ নভেম্বরকে ‘হোম সেফটি ডে’ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। এমনকী তালা সংস্থা গদরেজ কোম্পানিও মানুষকে সজাগ করতে প্রচার করে হর ঘর সুরক্ষিত।

শুধু ক্যাম্পেন নয়। ওই বেসরকারি তালা সংস্থা ‘হর ঘর সুরক্ষিত-২০১৮’ নামে একটি রিপোর্টও প্রকাশ্যে আনে। তাতে দেখা গেছে, সাধারণ মানুষ ডিজিটাল নথি চুরি নিয়ে অনেক বেশি ভাবেন। ঘর থেকে যে জিনিসপত্র চুরি যেতে পারে, তা নিয়ে তারা তেমন ভাবিত নন। যেখানে ভারতে প্রতিবছর যতগুলো চুরির ঘটনা নথিভুক্ত হয়, তার মধ্যে মাত্র ৩০ শতাংশ ডিজিটাল চুরি। ৭০ শতাংশ চুরিই হয়ে থাকে ঘরের তালা ভেঙে। অথচ ৬৪ শতাংশ নাগরিক চুরি রুতে বাড়িঘরকে সেভাবে সুরক্ষিত করেন না। সেইমতো কোনও চিন্তাও করেন না। আর সেই সুযোগকে লুফে নেন চোর কিংবা ডাকাতের দল। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only