শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৯

দেশের হাইকোর্টগুলিতে ৪২১ জন বিচারপতির পদ শূন্য, কলকাতা হাইকোর্টে ৩২

পুবের কলম, নয়াদিল্লি: কলকাতা সহ ভারতের বিভিন্ন হাইকোর্টে অগুনতি মামলা জমে রয়েছে। ফলে বিচারপ্রার্থীরা ঠিক সময়ে বিচার পাচ্ছেন না। অনেক সময় দেখা যাচ্ছে, যিনি মামলা করেছিলেন– তাঁর মৃত্যুর পরেও মামলা চলছে বছরের পর বছর ধরে। ইংরেজিতে এক প্রবাদ রয়েছে, জাস্টিস ডিলেইড ইজ জাস্টিস ডিনাইড। অর্থাৎ বিচারে বিলম্ব হওয়ার অর্থ হচ্ছে ইনসাফ হল না। সময়মতো বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ এই যে, উপযুক্ত সংখ্যায় বিচারপতির অভাব। 
বৃহস্পতিবার এ সম্পর্কে তৃণমূল সাংসদ ডা. মানস ভুঁইঞার এক প্রশ্নের উত্তরে লিখিত জবাব দিয়েছেন আইন ও বিচারমন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ। তিনি জানিয়েছেন, এলাহাবাদ হাইকোর্টে ৬০ জন বিচারপতির পদ শূন্য রয়েছে। পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে ৩৬ জন বিচারপতির আসন শূন্য রয়েছে। আর এ বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্ট রয়েছে তৃতীয় স্থানে। এখানে শূন্য রয়েছে ৩২ জন বিচারপতির আসন। সবমিলিয়ে ভারতের হাইকোর্টগুলিতে ৪২১টি আসনে বিচারপতির পদ ফাঁকা রয়েছে। বোঝাই যায়, এই অবস্থায় প্রত্যেক বিচারপতির উপর কতটা চাপ রয়েছে আর কেন লক্ষ লক্ষ মামলা দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে রয়েছে। এ সম্পর্কে লিখিত জবাব দিতে গিয়ে আইনমন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ বলেছেন, হাইকোর্টে বিচারপতি নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া ও প্রস্তাব পাঠানোর দায়িত্ব হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির। কোনও হাইকোর্টে বিচারপতির আসন শূন্য হওয়ার অন্তত ছ’মাস আগে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির প্রস্তাব পাঠানো নিয়ম। আর হাইকোর্টগুলিতে বিচারপতি নিয়োগের প্রক্রিয়া বিচার বিভাগ ও এক্সিকিউটিভ বিভাগের মধ্যে সবসময় জারি থাকে। এতে বিভিন্ন সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে পরামর্শ করতে হয়। বর্তমানে বিচারপতিদের শূন্য পদগুলি পূরণ করার জন্য সব ধরনের প্রচেষ্টা করা হবে। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only