শনিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১৯

ঝাড়খণ্ডে বিধানসভা নির্বাচনে উড়ল সেতু, নিগৃহীত হলেন কংগ্রেস প্রার্থী


বুথের সামনে ভোটদাতাদের লাইন

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক, রাঁচি : ঝাড়খণ্ডে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় মাওবাদীরা একটি সেতু উড়িয়ে দিয়েছে। অন্যদিকে, কংগ্রেস প্রার্থী কে এন ত্রিপাঠির উপরে বিজেপি সমর্থকরা আক্রমণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ (শনিবার) ভোটগ্রহণ শুরুর কয়েক ঘন্টা পরেই মাওবাদীরা গুমলা জেলার বিষ্ণুপুরের একটি সেতু বোমা মেরে উড়িয়ে দেয়।

ডেপুটি কমিশনার শশী রঞ্জন বলেন, হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। ভোটদানেও এর কোনও প্রভাব পড়েনি।বিধানসভা নির্বাচন বয়কটের ডাক দিয়েছিল মাওবাদীরা। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, ভোটদানে বাধা দিতে ভোটারদের মনে ভয় সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই তারা বিস্ফোরণে সেতু উড়িয়ে দিয়েছে।
   
আজ প্রথম দফায় ঝাড়খণ্ডের মোট ১৩ টি বিধানসভা আসন যথাক্রমে ছাত্রা (এসসি), গুমলা (এসসি), বিশনপুর (এসটি), লোহারদাগা (এসটি), মণিকা (এসটি), লাতেহার (এসসি), পাঙ্কি, ডাল্টনগঞ্জ, বিশ্রামপুর, ছাতারপুর (এসসি), হুসাইনাবাদ, গাঢ়বা এবং ভবন্থপুরে ভোট গ্রহণ হচ্ছে।
কংগ্রেস প্রার্থী কে এন ত্রিপাঠি
আজ ভোটগ্রহণের সময় পলামুরের কোসিয়ারা গ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী কে এন ত্রিপাঠির উপর হামলা হয়েছে। বিজেপি প্রার্থী অলোক চৌরাসিয়ার সমর্থকরা কে এন ত্রিপাঠিকে আক্রমণ করেছে অভিযোগ উঠেছে। এসময় বিজেপি  প্রার্থীর সমর্থকরা কংগ্রেস প্রার্থী কে এন ত্রিপাঠীকে বুথ পরিদর্শন করতে বাধা দিলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয় এবং ত্রিপাঠি ও তার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে পাথর নিক্ষেপ করা হয়। ত্রিপাঠির গাড়িতেও হামলা চালানো হয়।  কংগ্রেস প্রার্থীর সঙ্গে থাকা জওয়ানরা বিজেপি সমর্থকদের বিতাড়িত করে বিষয়টি শান্ত করেন। ত্রিপাঠি এসময় রিভলবার বের করেন বলে অভিযোগ ওঠায় নির্বাচন কমিশন বিষয়টি আমলে নিয়েছে।
কে এন ত্রিপাঠির অভিযোগ বিজেপি সমর্থকরা পাঁচটি বুথ লুট করার চেষ্টা করছিল। তিনি ওই সব বুথে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাঁর উপরে আক্রমণ হয়। বিষয়টি তিনি পুলিশের ডিজিপি ও এসপিকে জানিয়েছেন। কিন্তু বিজেপি প্রার্থী অলোক চৌরাসিয়া কংগ্রেস প্রার্থী ত্রিপাঠির ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। 

এই প্রথমবার ঝাড়খণ্ডের বিধানসভা নির্বাচনে কোনও মিত্রশক্তি ছাড়াই নির্বাচনে লড়ছে ক্ষমতাসীন বিজেপি। ফলে, দলটি কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হয়েছে। ২০১৪ সালে, ৩৫ টি আসন জিতে অল ঝাড়খন্ড ছাত্র ইউনিয়ন (এজেএসইউ)-এর সঙ্গে সরকার গড়েছিল বিজেপি। সেই নির্বাচনে ৫ টি আসন পেয়েছিল এজেএসইউ। এবার তারা এককভাবে নির্বাচনে লড়ছে। ফলে, নির্বাচনে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম), কংগ্রেস ও  রাষ্ট্রীয় জনতা দলের (আরজেডি) মতো বিরোধী জোটের সঙ্গে জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হয়েছে বিজেপি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only